উত্তরপ্রদেশ থেকে রাশিয়ায় পড়তে গিয়ে নিখোঁজ তিন যুবক। পরিবারের আশঙ্কা, তাঁদের জোর করে যুদ্ধে নামানো হয়েছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তিন ছাত্র হলেন হিমাংশু শর্মা এবং শক্তি পান্ডের। দু’জনেই মুজফ্ফরনগরের বাসিন্দা। তৃতীয় জন হলেন আশু সৈনি। তিনি শামলির বাসিন্দা।
পরিবার সূত্রে খবর, ওই তিন জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। মস্কো থেকে বাড়িতে তিন জনেই ফোন করেছিলেন তার আগে। শামলির এক এজেন্টের সূত্রে তিন জন পৃথক ভাবে রাশিয়ায় পৌঁছোন। প্রত্যেকে ওই এজেন্টকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। এপ্রিলে রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন সৈনি। অগস্টে রাশিয়ায় রওনা দেন শর্মা এবং পান্ডের।
পরিবারের দাবি, পৌঁছোনোর কিছু দিন পরেই তাদের কাছে ফোন আসে। ভয়ার্ত কণ্ঠে ওই তিন জন জানান, তাঁদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সেটাই ছিল তিন জনের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের শেষ কথা। তার পর থেকেই উত্তরপ্রদেশের এই তিন পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। সৈনির বাবা রাকেশ কুমার প্রধানমন্ত্রীর দফতরে যোগাযোগ করে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। পান্ডেরের বাবা বিপিন কুমার জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর সেই এজেন্টের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে বিদেশ মন্ত্রক জানায়, রুশ বাহিনীতে কর্মরত দু’ডজন ভারতীয়কে মুক্ত করে আনার চেষ্টা চলছে।