সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনের ‘আউটরিচ প্রোগ্রাম’-এ উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। তবে সেই সঙ্গে গত ক’মাসে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের বিতর্ক নিয়ে যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। এই পরিস্থিতিতে আজ সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে দু’টি পৃথক বৈঠক করলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকের পরে ইতিবাচক বার্তা দিতে চেয়ে তিনি বলেন, “আমি সব কিছুকেই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে চাই।”
প্রথামাফিক বাংলাদেশে কেউ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরে সাধারণত তাঁর প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হয় ভারত। কিন্তু তারেক আগে চিন সফরে গিয়েছেন। আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও এখনও নয়াদিল্লিতে তিনি আসেননি। ব্রিকস-এর সময়ে তাঁর দিল্লি আসার সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাওয়া হলে ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্য, “আমাদের দিক থেকে এটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানানোর জন্য আমরা প্রস্তুত। আমরা খুবই আশাবাদী, অদূর ভবিষ্যতে তাঁর সফরটি হবে।”
বকেয়া তিস্তা চুক্তির বাস্তবায়ন এবং গঙ্গা চুক্তির পুনর্নবীকরণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দীনেশ বলেছেন, “আজকের বৈঠক ছিল মূলত সৌজন্যমূলক। তা খুবই উষ্ণ এবং ইতিবাচক হয়েছে। কিন্তু আমরা এটা মনে করি যে, এমন কোনও বিষয় নেই যা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমাধান করা যায় না। শেষ পর্যন্ত দু’টি দেশের মানুষের বিষয় এটা। উভয় রাষ্ট্রের গণতন্ত্র এবং নাগরিকের স্বার্থে যা মঙ্গলের, তাকেই অগ্রাধিকারদেওয়া হবে।”