রাহুল গাঁধী। রবিবার রামলীলা ময়দানে। ছবি: সংগৃহীত।
রাহুল বলেন, “বেশ কয়েক বছর ধরে দেশে ভোটচুরি হচ্ছে। মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, ছত্তীসগঢ়, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন— এই সমস্ত ভোটে চুরি হয়েছে। ইভিএমের মাধ্যমে এবং ভোটার তালিকায় ভোটারদের নাম ঢুকিয়ে এবং কেটে দিয়ে ভোটচুরি করা হয়েছে।”
রাহুল বলেন, “আমরা নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ কিংবা জ্ঞানেশ কুমারকে ঘৃণা করি না। আমরা অহিংসায় বিশ্বাসী। আমার কাছে তাঁরা শত্রু নন। কিন্তু দেশের মানুষের কণ্ঠস্বর আমার কাছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটাই আমার ধর্ম। আমরা হিংসায় জড়াব না, কারও ক্ষতি করব না, ঘৃণাও ছড়াব না। কিন্তু দেশের সংবিধানকেও ধ্বংস হতে দেব না।”
রাহুল বলেন, “অমিত শাহজি বলেছিলেন, নরেন্দ্র মোদী কোথাও যাবেন না। আমি আপনাদের উল্টোটা বলছি। নরেন্দ্র মোদী কোথাও যেতে পারবেন না। যদি তিনি যেতেও চান, আমরা তাঁকে যেতে দেব না। জ্ঞানেশ কুমারের পর তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।”
রাহুল বলেন, “আমার কথা শুনে রাখুন। আমি যা বলি, পরে তা সত্যিই হয়। নয় কি? আমি দেশের প্রতিটি মানুষকে, প্রত্যেক যুবককে বলছি, জ্ঞানেশ কুমারকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে সরানো হবে। জ্ঞানেশ কুমার জেলে যাবেন।” একই সঙ্গে রাহুলের সংযোজন, “জ্ঞানেশ কুমারকে ছাড়া নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। অমিত শাহও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারবেন না।”
দিল্লির রামলীলা ময়দানেও নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একই বন্ধনীতে রেখে আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমরা হারিনি, হারানো হয়েছে। ভোট লুট করেছে বিজেপি, দেশের গণতন্ত্রকে হরণ করেছে।” দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ফের ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে কটাক্ষ করে মমতার দাবি, বিজেপি এবং জ্ঞানেশ কুমার— দু’জনেই যাবে। পশ্চিমবঙ্গ ‘এসআইআর’-এর শিকার বলেও দাবি করেন তৃণমূলনেত্রী।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ভোট লুট করে জিতেছে বলে ফের অভিযোগ করলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ সিংহ যাদব। অখিলেশের দাবি, বিজেপি এবং কমিশন নানা চক্রান্ত করছে। এখন বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে মানুষ প্রশ্ন তোলায় কমিশন জবাবদিহি করতে বাধ্য হচ্ছে বলে দাবি করেন অখিলেশ।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy