সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা বা নিটের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আগের বার পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু উত্তীর্ণ হতে পারেননি। তার পরে আবার পরীক্ষায় বসার তোড়জোড় শুরু করেছিলেন। তবে প্রস্তুতির মাঝেই আত্মঘাতী হন ১৮ বছর বয়সি প্রয়াগরাজের এক তরুণী। বাবার বন্দুক দিয়ে নিজেকে গুলি করেন তিনি। তাঁর দেহের পাশে মিলেছে সুইসাইড নোট। তাতে লেখা, ‘‘ক্ষমা করো, আমি কখনওই নিটে উত্তীর্ণ হতে পারব না!’’
প্রয়াগরাজের ঝুনসি থানার ত্রিবেণীপুরম এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। ডিসিপি (নগর) সাগর জৈন এই আত্মহত্যার কথা জানিয়েছেন। মৃতার পরিবারের মতে, তাদের কন্যা সারারাত পড়াশোনা করতেন। আর সকালে ঘুমোতেন। দুপুর বেলা ঘুম থেকে উঠতেন। তবে সোমবার বেলা ৩টে বেজে যাওয়ার পরেও ওই তরুণী ঘুম থেকে না-ওঠায় সন্দেহ হয়। ঘরের দরজা খুলে পরিবারের সদস্যেরা দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তাঁদের মেয়ে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি নোট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে লেখা, ‘‘ক্ষমা করো, আমি কখনওই নিটে উত্তীর্ণ হতে পারব না!’’ নোটটি তরুণী তাঁর বাবা-মায়ের উদ্দেশেই লিখেছিলেন। পুলিশ প্রাথমিক অনুমান, পড়াশোনার চাপে মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন ওই তরুণী। সেই চাপ সহ্য করতে না-পেরে বাবার বন্দুক চালিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। মৃতার বাবা ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়ায় ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত। তাঁর কাছে লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি বন্দুক ছিল। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।