খুদের টিফিন নিয়ে মায়েদের চিন্তার শেষ থাকে না। স্কুলের টিফিন না শেষ করলে তাঁদের মনে হয় পু্ষ্টিতে ফাঁক থেকে গেল। শুধু খুদের নয় বড়দের টিফিনেও থাক যত্ন এবং ভাবনা। দিনভর অফিস করার সময়ে ভরদুপুরে শুকনো রুটি আর তরকারি দেখলে, অনেকেরই খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। টিফিন আনা সত্ত্বেও রাস্তার লোভনীয় খাবারেই চোখ যায়।
নিজের জন্য বানিয়ে ফেলুন স্বাস্থ্যকর, সুস্বাদু খাবার। ছোট থেকে বড় একই টিফিন দেওয়া যাবে এমন কী কী বানাতে পারেন?
পোঙ্গল
পোঙ্গলও থাকতে পারে টিফিন বাক্সে। ছবি:সংগৃহীত।
দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় খাবারটি আসলে এক ধরনের খিচুড়ি। চাল, ডাল, বাদামের মিশেলে তৈরি পোঙ্গল খেতেও ভাল, স্বাস্থ্যকর। বানানো তেমন কঠিন নয়। মুগ ডাল ভেজে ধুয়ে নিন। চাল ধুয়ে রাখুন। চাল, মুগডাল, নুন এবং সামান্য হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো, স্বাদমতো নুন দিয়ে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নিন। কড়াইয়ে ঘি গরম করে, তার মধ্যে দিন হিং, জিরে, গোলমরিচ,কারিপাতা,আদাকুচি, কাজুবাদাম। সমস্ত উপকরণ হালকা ভেজে ঘি-সহ সেদ্ধ চাল-ডালের মিশ্রণে দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
পনির র্যাপ
পনির র্যাপ। ছবি:সংগৃহীত।
জল ঝরানো টক দই, শুকনো খোলায় নাড়া সামান্য বেসন, আদা-রসুন বাটা, হলুদ, কাশ্মীরি লঙ্কাগুঁড়ো, কসৌরি মেথি, স্বাদমতো নুন ভাল করে মিশিয়ে নিন। পনির টুকরো করে মাখিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। অল্প আঁচে উল্টেপাল্টে সেঁকে নিন। রুটির মধ্যে ঘি মাখিয়ে মশলা মাখানো পনির পেঁয়াজ, শসাকুচি, ধনেপাতার চাটনি দিয়ে, সেটি দু’পাশ দিয়ে মুড়ে দিন। তা হলেই তৈরি হয়ে যাবে পনির র্যাপ।
পিনাট রাইস
পিনাট রাইসও হতে পারে স্বাস্থ্যকর টিফিন। ছবি:সংগৃহীত।
চিনেবাদাম শুধু প্রোটিন নয়, ফ্যাটি অ্যাসিডেও পূর্ণ। কড়াইয়ে তেল নিয়ে কারিপাতা, সর্ষে ফোড়ন দিয়ে বাদাম ভেজে নিন। পেঁয়াজ, লঙ্কাকুচি হালকা ভেজে যোগ করুন টম্যাটোকুচি। স্বাদমতো নুন, ধনে, জিরেগুঁড়ো মিশিয়ে নিন। টম্যাটো গলে গেলে, মশলা থেকে তেল ছাড়লে, ভাত দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।