সব্জি দেখেই নাক সিঁটকান? বর্ষায় তিনটি সব্জি দিয়ে নতুন এক ধরনের রান্না করে দেখতে পারেন— ঝিঙের রসগোল্লা। এই রান্নায় ঘি, দুধ, কাজুবাদাম মিলেমিশে অভিনব এক স্বাদ তৈরি হয়। যাঁদের সব্জি পছন্দ নয়, তাঁরাও তৃপ্তি করে খেতে পারবেন। সময় বেশি লাগবে না, পরিশ্রমও বেশি নয়। রান্নার সহজ রেসিপি শিখে নিন।
উপকরণ
২টি বড় ঝিঙে
১টি গাজর
এক মুঠো বরবটি
৫০ গ্রাম মটর ডাল
পরিমাণ মতো সর্ষের তেল
২ চা-চামচ আদাবাটা
২টি তেজপাতা
২টি দারচিনি়
৪টি এলাচ
১ চা-চামচ গোটাজিরে
১২টি কাজু
আধ লিটার গরম দুধ
১ চা-চামচ চিনি
১ চা-চামচ ঘি
স্বাদমতো কাঁচালঙ্কা
১৫টি গোলমরিচের গুঁড়ো
স্বাদমতো নুন
প্রণালী
রান্নার ২ ঘণ্টা আগে মটর ডাল এবং পোস্ত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। অন্য দিকে ঝিঙেগুলি খোসা ছাড়িয়ে ডুমো ডুমো করে কেটে নিতে হবে। সঙ্গে গোল গোল করে গাজরও কেটে রাখুন। বরবটিগুলিও অর্ধেক করে নিন।
এ বার মিক্সিতে বেটে নিতে হবে ডাল, ৫ গ্রাম আদা, স্বাদমতো নুন। খানিক দানা দানা থাকলেই ভাল। তার পর বড়া বানিয়ে নিন হাতের চাপে। কড়াইয়ে সর্ষের তেল দিয়ে ডালের বড়াগুলি ভেজে তুলে রাখুন।
ওই তেলেই তেজপাতা, এলাচ, দারচিনি, জিরে ফোড়ন দিয়ে আদাবাটা মিশিয়ে দিন। খানিক ক্ষণ নাড়াচাড়া করে তাতে ঢেলে দিন ঝিঙে, গাজর ও বরবটি। মিনিটখানেক নাড়াচা়ড়া করে নুন দিয়ে আরও খানিক ক্ষণ ভাজতে থাকুন।
মশলা কষানো ও সব্জি ভাজার সময়ে মিক্সিতে কাজুবাদাম ও সামান্য দুধ মিশিয়ে বেটে নিন। এ বার ওই কাজুবাদাম বাটা মিশিয়ে দিন কড়াইয়ে। সঙ্গে এক গ্লাস গরম দুধও ঢেলে দিন।
তত ক্ষণে সব্জির নিজস্ব জল বেরিয়ে সেগুলি প্রায় সেদ্ধ হয়ে আসবে। এ বার দুধ ও কাজুবাদাম দিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে নিন। তার পর এতে সাদা গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন।
ঢাকনা দিয়ে ঢিমে আঁচে রান্না হতে দিন। এই সময়েই চিরে রাখা কাঁচালঙ্কা দিয়ে দিতে হবে কড়াইয়ে। সব সব্জি সেদ্ধ হয়ে গেলে তাতে ডালের বড়া, চিনি ও ঘি মিশিয়ে দিন ভাল করে নাড়িয়ে নিন।