Advertisement
E-Paper

সাত কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানোর লক্ষ্যে এগোচ্ছে ইসরো! আগামী দু’মাসের মধ্যেই পরবর্তী উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা

শনিবার শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে দেশে বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি প্রথম রকেট। একই দিনে চলতি বছরের উৎক্ষেপণের লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করল ইসরো।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬ ২১:৪০
ইসরোর মহাকাশযান উৎক্ষেপণ।

ইসরোর মহাকাশযান উৎক্ষেপণ। — ফাইল চিত্র।

চলতি অর্থবর্ষে সাতটি কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। পরবর্তী উৎক্ষেপণটি করা হবে আগামী দু’মাসের মধ্যেই। শনিবার এমনটাই ঘোষণা করলেন ইসরো চেয়ারম্যান ভি নারায়ণন।

শনিবার দুপুরে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় ‘বিক্রম ১’। স্কাইরুট এরোস্পেসের তৈরি এই রকেটটিই দেশে বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি প্রথম রকেট। সেটির সফল উৎক্ষেপণের দিনেই আগামী মাসগুলির পরিকল্পনা ঘোষণা করে দিল ইসরো। নারায়ণন জানালেন, আগামী দিনে যে উপগ্রহগুলি মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা চলছে, তার মধ্যে দু’টি ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে গিয়েছে। আরও পাঁচ-ছ’টি উপগ্রহ তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্বে রয়েছে।

ইসরো প্রধান বলেন, “এই অর্থবর্ষে অন্তত সাতটি (কৃত্রিম উপগ্রহ) উৎক্ষেপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি আমরা। আগামী দু’মাসের মধ্যেই তা শুরু হয়ে যাবে।” পাশাপাশি ‘গগনযান’ নিয়েও কাজ চলছে ইসরোর। এটিই হবে ভারতের কোনও নভোযানের প্রথম মনুষ্যহীন মহাকাশ অভিযান।

শনিবার স্কাইরুট এরোস্পেসের রকেট উৎক্ষেপণকে ভারতের মহাকাশ গবেষণায় এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন নারায়ণন। ঘটনাচক্রে, এই বেসরকারি সংস্থার দুই প্রতিষ্ঠাতা পবনকুমার চন্দন এভং নাগা ভরত ডাকা— উভয়েই ইসরোর প্রাক্তনী। ‘বিক্রম ১’-এর মহাকাশযাত্রা দেশের অর্থনৈতিক বিকাশেও গতি আনবে বলে মনে করছেন ইসরো প্রধান। বর্তমানে দেশে মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত ৪০০টি স্টার্ট আপ সংস্থা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আগামী দিনে তামিলনাড়ুর কুলাসেকারাপাট্টিনামে ইসরোর দ্বিতীয় উৎক্ষেপণকেন্দ্র চালু করারও পরিকল্পনা রয়েছে ইসরোর। নারায়ণন জানান, আগামী ছ’মাসের মধ্যে এই উৎক্ষেপণ কেন্দ্র চালু করতে চাইছেন তাঁরা। অন্ধ্রের শ্রীহরিকোটা থেকে এতদিন বিভিন্ন কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। তবে ৩০০-৩৫০ কেজি ওজনের ছোট ছোট কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য এমন বড় লঞ্চ প্যাডের ব্যবহার খুব একটা সুবিধাজনক নয়। সেই কারণেই তামিলনাড়ুতে এই উৎক্ষেপণকেন্দ্রটি তৈরি হচ্ছে।

ইসরো প্রধান জানান, আপাতত শ্রীহরিকোটা থেকেই কৃত্রিম উপগ্রহগুলি উৎক্ষেপণ করা হবে। তিনি বলেন, “কুলাসেকারাপাট্টিনামে দ্বিতীয় যে উৎক্ষেপণকেন্দ্রটি তৈরি হচ্ছে, সেটির কাজও প্রায় শেষের পথে। চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই আমরা এটি চালু করে দেব।”

ISRO

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy