দ্বিতীয় বার পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন বাবর আজ়ম। শান মাসুদ প্রত্যাশিত সাফল্য এনে দিতে না পারায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কর্তারা আবার বাবরকেই দায়িত্ব দিয়েছেন। সাদা বলের ক্রিকেটে পাকিস্তান দলে অনিয়মিত হয়ে যাওয়া বাবর দায়িত্ব নেওয়ার আগে একটি শর্ত দিয়েছিলেন কর্তাদের।
মাসুদের নেতৃত্বে ১৬টি টেস্ট খেলে পাকিস্তান চারটিতে জয় পেয়েছিল। বাংলাদেশে গিয়েও টেস্ট সিরিজ় হারতে হয়েছিল। তার পর আর ঝুঁকি নিতে পারেননি মহসিন নকভিরা। অধিনায়ক হিসাবে সফল বাবরকে তাঁরা আবার ফিরিয়ে এনেছেন নেতৃত্বে। তবে শর্তসাপেক্ষে টেস্ট দলকে নেতৃত্ব দিতে রাজি হয়েছেন বাবর।
পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দায়িত্ব দেওয়ার আগে দু’জন নির্বাচক আলাদা করে কথা বলেন বাবরের সঙ্গে। সে সময়ই শর্ত চাপিয়ে দেন বাবর। তিনি বলেছিলেন, শুধু টেস্ট দলের নেতৃত্ব দিলে হবে না। তিন ফরম্যাটের নেতৃত্বই ফিরিয়ে দিতে হবে তাঁকে। পিসিবির এক কর্তা বলেছেন, ‘‘গত ৫ জুলাই বাবরের নাম আবার টেস্ট অধিনায়ক হিসাবে ঘোষণা করার আগে দুই নির্বাচক ওর সঙ্গে কথা বলেন। সে সময়ই বাবর জানিয়ে দিয়েছিল, ও জাতীয় দলে একাধিক অধিনায়কের বিরোধী। তিন ফরম্যাটের নেতৃত্ব দেওয়া হলে তবেই ও রাজি। টেস্ট দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বাবর ছাড়া কেউ এই মুহূর্তে নেই। তাই ওর শর্তে রাজি হতে হয়েছে নির্বাচকদের।’’
নির্বাচকেরাও পাল্টা শর্ত দেন বাবরকে। তাঁরা জানান, টেস্ট অধিনায়ক হিসাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পারফরম্যান্স সন্তোষজনক হলে তবেই সাদা বলের ক্রিকেটের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে। পিসিবির ওই কর্তা বলেছেন, ‘‘বাবর সব সময়ই জাতীয় দলে এক জন অধিনায়কের পক্ষে। একাধিক অধিনায়ক ওর পছন্দ নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ় এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচটি টেস্টের ফল দেখে সাদা বলের ক্রিকেটে অধিনায়ক করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’’
আরও পড়ুন:
২০২৩ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের খারাপ ফলের পর এক দিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাবরকে। তখনই টেস্ট দলের নেতৃত্বেও ইস্তফা দিয়েছিলেন বাবর। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভাল জায়গায় রয়েছে পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের ৩১১ রানের জবাবে পাকিস্তান করে ২৮২ রান। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চাপে ক্যারিবিয়ানেরা। বাবর করেন ২৩ রান। সদ্য নেতৃত্ব হারানো মাসুদ খেলেন ১০৯ রানের ইনিংস।