মহিলাদের এশিয়া কাপে হরমনপ্রীত কৌরের সঙ্গে হাত মেলাননি তিনি। তা নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, এই সিদ্ধান্ত সুলতানার ব্যক্তিগত। চাপের মুখে ভোলবদল সুলতানার। এশিয়ান গেমসে ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীতের সঙ্গে হাত মেলালেন তিনি।
সেমিফাইনালের আগে টসের পর দেখা যায়, হরমনপ্রীত সুলতানার দিকে হাত এগিয়ে দিচ্ছেন। জবাব সুলতানাও এগিয়ে এসে করমর্দন করেন। দু’জনের মুখেই ছিল হাসি। খেলা শেষেও দু’দলের ক্রিকেটারেরা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলান।
গত এক বছর ধরে ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেটারেরা একে অপরের সঙ্গে হাত মেলান না। কিন্তু অন্য দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে এই ছবি দেখা যায়নি। চলতি বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে একটি বিতর্ক হয়েছিল। ভারতে খেলতে আসতে চায়নি বাংলাদেশ। ফলে তাদের বাদ দিয়েই প্রতিযোগিতা হয়েছিল। কিন্তু তামিম বাংলাদেশ বোর্ডের মাথায় বসার পর থেকে পরিস্থিতি বদলেছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ।
এই পরিস্থিতিতে সুলতানা হাত না মেলানোয় ক্ষুব্ধ হয় বিসিবি। রফিকুল জানিয়ে দেন, বাংলাদেশ সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চায়। সুলতানার হাত না মেলানোর সঙ্গে বিসিবির কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, ‘‘হরমনপ্রীতের সঙ্গে হাত না মেলানোর সিদ্ধান্ত সুলতানার ব্যক্তিগত। আমরা বিশ্বাস করি, খেলাধুলো বিশ্বকে একত্রিত করে। আমরা সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। সুলতানা যা করছে, নিজের সিদ্ধান্তে করেছে।’’
আরও পড়ুন:
সুলতানার এই আচরণ যে বিসিবি কর্তারা ভাল ভাবে নেননি, তা-ও বুঝিয়ে দেন রফিকুল। তিনি ইঙ্গিত দেন, এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ সাফল্য না পেলে অধিনায়কের চাকরি যেতে পারে। সাফল্য পায়নি তারা। সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ১১৪ রানে হারতে হয়েছে। ফলে চাপ বাড়ছে সুলতানার উপর। এই চাপের মধ্যেই ভোলবদল তাঁর।
তার মধ্যেই জানা গিয়েছে, মহিলাদের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব ছাড়তে চান সুলতানা। বোর্ডকে ইমেল করে সে কথা জানিয়েছেন তিনি। যদিও সেই বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। দল এশিয়ান গেমস থেকে ফেরার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।