প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে মহম্মদ শামি। রবিবার দলীপ ট্রফির ফাইনালে নিজের ১০০তম প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলতে নামবেন তিনি। চেন্নাইয়ের এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে পূর্বাঞ্চলের হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে নামার আগে শামিকে সংবর্ধনা দিল রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা। সংবর্ধনা দিল পূর্বাঞ্চলের দলও।
শনিবার সিএবির তরফে চেন্নাইয়ে হাজির ছিলেন কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস। তিনিই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়দের হয়ে শামিকে সংবর্ধনা দেন। ছিলেন পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক ঈশান কিশন। সহ-অধিনায়ক বৈভব সূর্যবংশীও হাজির ছিল সেখানে।
‘১০০’ লেখা বাংলার দলের একটি বিশেষ জার্সি তুলে দেওয়া হয় শামির হাতে। সেই জার্সিতে সই ছিল সিএবি সভাপতি সৌরভের। তাঁর সই করা একটি বলও শামির হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেটি তুলে দেন শামির সতীর্থ মুকেশ কুমার। পাশাপাশি একটি রুপোর স্মারকও শামির হাতে তুলে দেন সঞ্জয়, ঈশানেরা।
মহম্মদ শামির হাতে একটি বল তুলে দিচ্ছেন মুকেশ কুমার (বাঁ দিকে)। ছবি: সিএবি।
পূর্বাঞ্চলের সতীর্থদের সই করা একটি জার্সি শামির হাতে তুলে দেন অধিনায়ক ঈশান। পূর্বাঞ্চলের ম্যানেজার তথা সিএবির ফিনান্স কমিটির সদস্য অয়ন নন্দীও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।
মহম্মদ শামির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে রুপোর স্মারক। ছবি: সিএবি।
নিজে সরাসরি থাকতে না পারলেও একটি ভিডিয়োবার্তায় শামিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সৌরভ। তিনি বলেন, “শামি, ১০০ প্রথম শ্রেণির ম্যাচের জন্য তোমাকে শুভেচ্ছা। উপমহাদেশে একজন জোরে বোলারের পক্ষে এটা বড় সাফল্য। আমি তোমাকে বড় হতে দেখেছি। তোমার সঙ্গে খেলেওছি। তখন তোমার কেরিয়ারের শুরু। আর আমার শেষ। আমি জানতাম তোমার প্রতিভা রয়েছে। কিন্তু সেই প্রতিভাকে যে তুমি এত দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছ, সেটা দেখে আমার খুব ভাল লাগছে।’’
আরও পড়ুন:
দলীপের ফাইনালের আগে শামিকে উদ্বুদ্ধ করেছেন সৌরভ। তিনি বলেন, “এবার দলীপ ট্রফির ফাইনাল খেলছ। সেখানে জিতলে আরও একটা পালক তোমার মুকুটে জুড়বে। উপভোগ করো। যখন অনেক পেসার টেস্ট থেকে পালানোর সুযোগ খোঁজে, সেখানে তুমি টেস্ট খেলার আগ্রহ দেখিয়েছ। এটাই তোমার কৃতিত্ব। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি দেখা হবে।”
পূর্বাঞ্চলের সতীর্থদের সই করা জার্সি তুলে দেওয়া হচ্ছে মহম্মদ শামির হাতে। ছবি: সিএবি।
শামির পাশাপাশি দলীপের ফাইনালের আগে ঈশান, বৈভবদেরও বার্তা দিয়েছেন সৌরভ। তাঁদের এক বাক্স মিষ্টি পাঠিয়েছেন ‘দাদা’। তাতে লেখা, “তোমরা শুধু খেলার জন্য ফাইনালে নামবে না। জেতার জন্য নামবে। আগ্রাসী ক্রিকেট খেলো। একে অপরের জন্য খেলো। পূর্বাঞ্চলকে গর্বিত করো। দলীপ ট্রফি ঘরে নিয়ে এসো। তোমাদের সকলকে শুভেচ্ছা।”