কেন বার বার চোট পাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা? কেন এক জনের চোট সারতে না সারতে অন্য জন চোট পাচ্ছেন? কেন চোট সারিয়ে ওঠার কিছু দিনের মধ্যে আবার চোট পাচ্ছেন সেই ক্রিকেটার? এই সব প্রশ্নে সমালোচনার মুখে বেঙ্গালুরুর উৎকর্ষ কেন্দ্র (সেন্টার অফ এক্সেলেন্স বা সিওই)। সব সমালোচনার জবাব দিলেন সেই কেন্দ্রের প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণ।
ভারতের কোনও ক্রিকেটার চোট পেলেই তাঁকে পাঠানো হয় উৎকর্ষ কেন্দ্রে। সেখানে চিকিৎসকদের নজরে থাকেন ক্রিকেটারেরা। সুস্থ হয়ে আবার জাতীয় দলে ফেরেন তাঁরা। কিন্তু লক্ষ্মণের মতে, সেটা শুধুই সুস্থ হওয়ার জায়গা নয়। তিনি বলেন, “সিওই শুধুমাত্র একটা রিহ্যাব সেন্টার নয়। এখানে শুধু ক্রিকেটারদের সুস্থ করে তোলা হয় না। এখানে ক্রিকেটারদের উন্নতির দিকটাও দেখা হয়। কোনও ক্রিকেটার এলে তার দক্ষতা বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া হয়। সুতরাং এই কেন্দ্রের আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”
লক্ষ্ণণের মতে, ক্রিকেটারদের সুস্থ করার সব রকম চেষ্টা তাঁরা করেন। কিন্তু চোট পাওয়ার উপর কারও নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাই তাঁদের দোষ দেওয়ার কোনও মানে নেই। লক্ষ্মণ বলেন, “চোট তো খেলারই অঙ্গ। তাই জন্যই নজর রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এর উপর কারও নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাই আমাদের দোষ দিয়ে বা বলির পাঁঠা করে কোনও লাভ নেই।”
আরও পড়ুন:
গত কয়েক মাসে ভারতীয় দলে চোটের সমস্যা অনেকটা বেড়েছে। বিশেষ করে হার্দিক পাণ্ড্য, জসপ্রীত বুমরাহ, নীতীশ রেড্ডি, হর্ষিত রানা, ওয়াশিংটন সুন্দরের মতো ক্রিকেটার বার বার চোট পেয়েছেন। এখনও বুমরাহ, হর্ষিত ও নীতীশ বেঙ্গালুরুর উৎকর্ষ কেন্দ্রে রয়েছেন।
এ ভাবে বার বার ক্রিকেটারেরা চোট পাওয়ায় উদ্বিগ্ন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এতে দলের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। তার প্রভাব খেলায় পড়ছে। তাই কী ভাবে চোটের সমস্যা মেটানো যায় তার ভাবনা চলছে। তার মাঝেই সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন লক্ষ্মণ।