তিনি বরাবরই ব্যতিক্রম। বাকিদের হ্যাঁ-এ হ্যাঁ মেলান না। নিজের কথা স্পষ্ট ভাষায় বলেন। তাতে যদি কারও খারাপ লাগে, তিনি পরোয়া করেন না। আরও এক বার নিজের মতামত দিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের দল বেছে নিয়েছেন অশ্বিন। তাঁর দলে একটি চমক রয়েছে। ভারতীয় দলে ব্রাত্য পেসারকে নিজের দলের রেখেছেন তিনি।
‘ইএসপিএন ক্রিকইনফো’-র ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিয়োয় নিজের পছন্দের বিশ্বকাপের দল জানান অশ্বিন। সেখানে তাঁকে এক এক করে ক্রিকেটারের নাম বলা হচ্ছিল। তিনি তাঁদের তিনটি ভাগে ভাগ করেন। প্রথম ভাগে যাঁরা অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলবেন। দ্বিতীয় ভাগে যাঁরা, তাঁরা সুযোগ পেতেও পারেন, আবার না-ও পারেন। তৃতীয় ভাগে যাঁরা, তাঁরা এ বারের বিশ্বকাপে খেলবেন না।
শুভমন গিল, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা অশ্বিনের দলে রয়েছেন। যশস্বী জায়সবাল, মহম্মদ শামি, রবীন্দ্র জাডেজাদের দ্বিতীয় বিভাগে রেখেছেন তিনি। অর্থাৎ, তাঁরা সুযোগ পেতেও পারেন, না-ও পারেন।
অশ্বিনের দলে নেই ঋষভ পন্থ, সঞ্জু স্যামসন, বৈভব সূর্যবংশীরা। পাশাপাসি ওয়াশিংটন সুন্দর, অভিষেক শর্মা, রবি বিশ্নোই, শিবম দুবের মতো ক্রিকেটারকেও রাখেননি তিনি। চমক অন্য জায়গায়। তাঁর দলে রয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার।
শেষ বার ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে ভারতের জার্সি গায়ে খেলেছেন ভুবনেশ্বর। তার পর থেকে ব্রাত্য তিনি। অথচ এ বারেও আইপিএলে দুর্দান্ত খেলেছেন। অশ্বিন মনে করেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, জ়িম্বাবোয়ে ও নামিবিয়ার মাঠে ভুবনেশ্বর ভারতের বড় অস্ত্র হতে পারেন।
অশ্বিন বলেন, “ভুবনেশ্বরকে অবশ্যই খেলানো উচিত। আমি থাকলে ওর সঙ্গে কথা বলতাম। ওকে ভারতের তিন ফরম্যাটেই খেলাতাম। প্রথম শ্রেণি, বিজয় হজারে সব খেলাতাম। দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য ওকে তৈরি করতাম। আমারপ মনে হয়, ওকে আমাদের দরকার।” এখন দেখার, নির্বাচকদের ভাবনার সঙ্গে অশ্বিনের ভাবনা মেলে কি না।
আরও পড়ুন:
অশ্বিনের বিশ্বকাপের দল
যাঁরা রয়েছেন— শুভমন গিল, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, শ্রেয়স আয়ার, লোকেশ রাহুল, ঈশান কিশন, হার্দিক পাণ্ড্য, অক্ষর পটেল, কুলদীপ যাদব, জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, হর্ষিত রানা, ভুবনেশ্বর কুমার।
যাঁরা থাকতে পারেন, না-ও পারেন— যশস্বী জায়সবাল, রুতুরাজ গায়কোয়াড়, বরুণ চক্রবর্তী, রবীন্দ্র জাডেজা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, মহম্মদ শামি, অর্শদীপ সিংহ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ।
যাঁরা নেই— ঋষভ পন্থ, ওয়াশিংটন সুন্দর, সঞ্জু স্যামসন, বৈভব সূর্যবংশী, অভিষেক শর্মা, রবি বিশ্নোই, শিবম দুবে, প্রিন্স যাদব, গুরনুর ব্রার।