গত কয়েক বছরে বিশ্বক্রিকেটে পাকিস্তানের উপর দাপট দেখিয়েছে ভারত। সে এক দিনের ফরম্যাট হোক বা টি-টোয়েন্টি। তবে বিশ্বমঞ্চ ছাড়া দু’দলের লড়াই দেখার সুযোগ নেই। আগামী বছর এক দিনের বিশ্বকাপে তিন বার দু’দল মুখোমুখি হতে পারে। জয় শাহের নেতৃত্বাধীন আইসিসির এক সিদ্ধান্তে এই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ থেকে নতুন ফরম্যাট শুরু হতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকা, জ়িম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়ায় হবে এক দিনের ক্রিকেটের আগামী বিশ্বকাপ। মোট ১৪টি দেশ অংশগ্রহণ করবে। নতুন প্রস্তাবে সেমিফাইনালের আগে তিনটি পর্যায় থাকবে। ১৪টি দলের মধ্যে ক্রমতালিকায় সবচেয়ে নীচে থাকা তিনটি দলকে নিয়ে লিগ পদ্ধতিতে হবে সুপার সিরিজ়। তিনটি দলের মধ্যে যারা এক নম্বরে শেষ করবে, তারা উঠবে দ্বিতীয় রাউন্ডে।
দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলবে ১২টি দল। দলগুলিকে দু’টি গ্রুপে ভাগ করে রাউন্ড রবিন লিগ করে খেলা হবে। মোট ৩০টি ম্যাচ হবে দ্বিতীয় রাউন্ডে। এখান থেকে দু’টি গ্রুপের সেরা তিনটি দল এবং দু’গ্রুপ মিলিয়ে আর একটি সেরা দল পৌঁছে যাবে তৃতীয় রাউন্ডে।
তৃতীয় রাউন্ডে ওঠা সাতটি দলকে নিয়ে আবার ‘সুপার ৭’ রাউন্ড খেলা হবে। সেখানে রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে খেলা হবে। অর্থাৎ, প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে খেলবে। তার পর প্রথম চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে। মোট ২১টি ম্যাচ হবে এই রাউন্ডে। তৃতীয় রাউন্ডের পর শীর্ষে শেষ করা দল সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে চতুর্থ স্থানে শেষ করা দলের। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে শেষ করা দল খেলবে অপর সেমিফাইনালে।
আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় রাউন্ডে ১২টি দলকে যে দু’টি গ্রুপে ভাগ করা হবে সেখানে ভারত ও পাকিস্তান এক গ্রুপে থাকলে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। গত কয়েক বছর বিশ্বকাপে বরাবর ভারত ও পাকিস্তানকে একই গ্রুপে ফেলা হয়। ফলে সেই সম্ভাবনা এ বারও প্রবল।
দুই দলই যদি ‘সুপার ৭’-এ ওঠে, তা হলে আবার মুখোমুখি হবে তারা। আবার যদি সেমিফাইনালে ভারত ও পাকিস্তান ওঠে, সেখানেও তাদের একে অপরের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেমিফাইনাল বাদ দিলে অন্তত দু’বার তো ভারত-পাক ম্যাচ হওয়া প্রায় নিশ্চিত।