ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ়ের শুরুই আলোচনায় উঠে এসেছে গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বিরাট কোহলির সম্পর্ক। তাঁদের দূরত্ব এতটাই বেড়েছে যে পরস্পরের সঙ্গে কথা বলছেন না। কোহলির সঙ্গে সম্পর্ক যাই হোক ভারতীয় দলের কোচ আর এক সিনিয়র ব্যাটার রোহিত শর্মার পাশেই রয়েছেন। প্রাক্তন অধিনায়ককে নিজের মতো খেলার স্বাধীনতাও দিচ্ছেন গম্ভীর।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম এক দিনের ম্যাচে জয় এলেও রান পাননি রোহিত। ওপেন করতে নেমে ১১ রান করে আউট হয়ে গিয়েছেন। তা নিয়ে চিন্তিত নন গম্ভীর। ভারতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত এক জন সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘এই দলের জন্য রোহিতের অবদান প্রচুর। ভারতের সাদা বলের ক্রিকেটেও রোহিতের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। কোচ গম্ভীরও চান, গোটা ক্রিকেটজীবনে রোহিত যে ভাবে খেলেছে, সে ভাবেই খেলুক। ব্যাট হাতে নিজেকে স্বাধীন ভাবে প্রকাশ করুক। চাপ নিয়েই খেলছে রোহিত। প্রচুর সমালোচনা হচ্ছে ওর। ওকে সময় দিতে চান কোচ। মানসিক ভাবে স্বস্তিতে রাখতে চান।’’
ভারতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত ওই ব্যক্তি আরও বলেছেন, ‘‘রোহিতের মতো খেলোয়াড়েরা যে কোনও সময় সেরাটা দিতে পারে। চাপ মুক্ত থাকলে এবং নিজের মতো খেলতে পারলে এমন খেলোয়াড়দের আটকানো কঠিন। গম্ভীরের মতে রোহিতের প্রতিটি ইনিংস বিশ্লেষণ করার প্রয়োজনই নেই। এত বছর ধরে দেশের হয়ে ধারাবাহিক ভাবে পারফর্ম করা অভিজ্ঞ ব্যাটারের পাশে থাকতে চাইছেন। গম্ভীর জানেন, নিজের দিনে রোহিত একাই ম্যাচের রং বদলে দিতে পারে। ক্রিকেটে কৌশলগত পরিবর্তনের মতো বিশ্বাস এবং ধৈর্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’’
এক দিনের দলের নেতৃত্ব হারানোর পর রোহিত ১৩টি এক দিনের ম্যাচে ৫৬৩ রান করেছেন। শুভমন গিলের নেতৃত্বে তাঁর ব্যাটিং গড় ৪৬.৯১। একটি শতরান এবং চারটি অর্ধশতরান করেছেন। রোহিতের পারফরম্যান্স যথেষ্ট ভাল বলেই মনে করেন গম্ভীর। ওই ব্যক্তি বলেছেন, ‘‘ভবিষ্যতে কী হবে, কেউ বলতে পারে না। আমরা বর্তমানের উপর ভিত্তি করে চলতে চাই। আমরা চাই সিনিয়র ক্রিকেটারেরা শান্তিতে খেলুক। ওদের প্রয়োজন। এখন কোনও দীর্ঘ পরিকল্পনা করা হচ্ছে না।’’
আরও পড়ুন:
দূরত্ব তৈরি হলেও ভারতীয় শিবির সূত্রে খবর, কোহলির ব্যাটিং নিয়েও সন্তুষ্ট গম্ভীর। শেষ ১৭টি এক দিনের ম্যাচে কোহলি করেছেন ৮৯৬ রান। তাঁর গড় ৬৪। চারটি শতরান এবং পাঁচটি অর্ধশতরান এসেছে কোহলির ব্যাট থেকে। দুই সিনিয়র ব্যাটারকে নিয়েই আগামী বছরের বিশ্বকাপের পরিকল্পনা করছেন গম্ভীর।