শুরু হয়েছিল গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রায় এক বছর হয়ে গেলেও করমর্দন বিতর্ক থামেনি। অন্তত ক্রিকেটে সেই ছবিই দেখা যাচ্ছে। এশিয়া কাপের ম্যাচেও হাত মেলালেন না ভারতের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর ও পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা।
শনিবার ম্যাচ শুরুর আগে টসের সময় দুই অধিনায়ক কিছুটা দূরত্ব রেখে দাঁড়িয়েছিলেন। টস জেতেন ফাতিমা। প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। নিজের কথা বলার পরেই সাজঘরের দিকে হাঁটা দেন তিনি। হরমনপ্রীতও নিজের কথা বলে সাজঘরের দিকে চলে যান। হাত মেলানো তো দূর দুই অধিনায়ক একে অপরের সঙ্গে কোনও কথাই বলেননি।
গত বছর ২২ এপ্রিলা কাশ্মীর পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা ও তার পর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর থেকে দু’দেশের সম্পর্কে আরও অবনতি হয়েছে। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে পুরুষদের এশিয়া কাপে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। হাত মেলাননি সূর্যকুমার যাদবেরা। এমনকি, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির কাছে ট্রফিও নিতে চায়নি ভারত। সেই ট্রফি এখনও ভারত পায়নি।
আরও পড়ুন:
ভারতের অবস্থান স্পষ্ট। পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতে বাধ্য হলেও হাত মেলাবে না তারা। প্রথম দিকে পাকিস্তান হাত মেলানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করলেও পরে তারাও সরে আসে। শুধু পুরুষ ও মহিলাদের ক্রিকেট নয়, ছোটদের ক্রিকেটেও সেই ছবিই দেখা গিয়েছে।
তবে শুধু দেশের হয়ে ক্রিকেটেই এই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। গত মাসে হকি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পর দু’দেশের খেলোয়াড়দের হাত মেলাতে দেখা গিয়েছিল। এমনকি, মহিলাদের বিগ ব্যাশ লিগে পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমাকে জড়িয়ে ধরেন ভারতের জেমাইমা রদ্রিগেজ়। ফলে বার বার সেই প্রশ্নই উঠছে। ক্রিকেটারেরা নিজের ইচ্ছাই হাত মেলাচ্ছেন না? নাকি বোর্ড ও কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে পিছিয়ে আসতে হচ্ছে তাঁদের?