শ্রীলঙ্কাকে টেস্ট সিরিজ়ে হারানোর পরেই ভারতের অধিনায়ক শুভমন গিল স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠাই তাঁর লক্ষ্য। তবে আগামী কয়েক মাসে বোর্ডের যে সূচি রয়েছে, তাতে নিউ জ়িল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া সিরিজ়ের আগে টেস্ট ক্রিকেটারেরা সে ভাবে প্রস্তুতির সুযোগ পাবেন কি না সেটা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
নভেম্বরে নিউ জ়িল্যান্ডে গিয়ে সিরিজ় খেলবে ভারত। পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে আসবে অস্ট্রেলিয়া। বাকি সাতটি ম্যাচের অন্তত পাঁচটি জিততেই হবে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে।
কিছু দিন আগে শুভমন বোর্ডকে পরামর্শ দিয়েছিলেন আসন্ন অস্ট্রেলিয়া এ সিরিজ়ে যেন এমন পিচ দেওয়া হয় যেখানে বল ঘুরবে। পাশাপাশি টেস্ট দলের একাধিক ক্রিকেটারকে খেলানোর প্রস্তাবও রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু ওই সিরিজ়ের সঙ্গে ইরানি কাপ একই সময়ে রয়েছে।
প্রায় একই সময়ে ভারতের দু’টি দলের একটি খেলবে এশিয়ান গেমসে। আর একটি খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ়ে। ফলে অস্ট্রেলিয়া এ সিরিজ়ের জন্য পর্যাপ্ত টেস্ট ক্রিকেটারকে হাতে থাকবে না বোর্ডের কাছে।
বোর্ডের এক সূত্র বলেছেন, “গত দু’বছরে দেশের মাটিতে ঘূর্ণি পিচে ভাল খেলতে পারেনি ব্যাটারেরা। শুভমন চেয়েছে কয়েকজন যাতে এ দলের সিরিজ়ে খেলে, যেখানে বল অল্প হলেও ঘুরবে। তবে প্রবল ঘূর্ণি পিচ ওদের দেওয়া হবে না। কিন্তু সূচির সমস্যার কারণে এ দলের ম্যাচে খুব বেশি টেস্ট ক্রিকেটার পাওয়া যাবে না। কারণ ইরানি কাপে সেরা ক্রিকেটারদের খেলানোর যে ভাবনা রয়েছে বোর্ডের তা ধাক্কা খাবে।”
ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের সেরা ক্রিকেটারেরা এশিয়ান গেমসে ব্যস্ত থাকবেন বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ়ে রিজার্ভ ক্রিকেটারদের খেলানো হতে পারে। কোচিং করাতে পারেন ভিভিএস লক্ষ্মণ।
আরও পড়ুন:
এ দিকে, নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ের জন্য ৬০ জন ক্রিকেটারের ভিসার আবেদন করা হয়েছে। সে দেশে তিন ফরম্যাটেই সিরিজ় খেলা হবে। ফলে আলাদা ক্রিকেটার থাকবেনই। তবে সেখানেও টেস্ট সিরিজ়ের প্রস্তুতির পর্যাপ্ত সময় থাকছে না।
ঠিক করা হয়েছে, এক দিনের দলে রয়েছেন, আবার টেস্ট দলেও রয়েছেন এমন ক্রিকেটারদের প্রস্তুতির জন্য বিশেষ ব্যবস্থার ভাবনা চলছে। তৃতীয় এক দিনের ম্যাচের পর তাঁদের বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। তখন তাঁরা টেস্টের প্রস্তুতি নেবেন। কোচ গৌতম গম্ভীর চান টেস্ট সিরিজ় শুরুর আগে অন্তত ১৪ দিনের প্রস্তুতি।