দলীপ ট্রফির সেমিফাইনালে প্রথম দিনের শেষে পূর্বাঞ্চলের বিরুদ্ধে মধ্যাঞ্চলের প্রথম ইনিংস শেষ ২৬৬ রানে। পূর্বাঞ্চলের হয়ে তিনটি করে উইকেট মুকেশ কুমার ও অভিজিৎ সরকারের, দুটি উইকেট মহম্মদ শামি ও কৌনেন কুরেশির। লড়াই করেন রিঙ্কু সিংহ। তিনি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন।
আর একটি সেমিফাইনালে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে ব্যাট করতে নেমে উত্তরাঞ্চলের প্রথম ইনিংস শেষ ১৯৫ রানে। ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণাঞ্চল দিনের শেষে ৪০ রান তুললেও দুই উইকেট হারিয়েছে। ৯৫ রানে ৪ উইকেট চলে গিয়েছিল উত্তরাঞ্চলের। ওপেনার কামরান ইকবাল একা লড়াই করেন। তিনি করেন ৭৬।
বেঙ্গালুরুতে পূর্বাঞ্চলের ম্যাচে অধিনায়ক ঈশান কিষনের টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত যে ঠিক, তা প্রমাণ করে দেন তাঁর দলের বোলাররা শুরুতেই উইকেট তুলে নিয়ে। তবে ঈশান ১৯ ওভারের পরে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান। আঙুলে চোট লাগার কারণে। এর পরে পূর্বাঞ্চলকে নেতৃত্ব দেন বৈভব সূর্যবংশী। তার মধ্যেই বৈভবের নেতৃত্ব নিয়ে চর্চা শুরু চর্চা হয়। বিশেষ করে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম রিভিউ নেওয়ার পরে তা সফল হলে। ৪০তম ওভারে মুকেশ কুমারের বলে আর্য জুয়ালের কট-বিহাইন্ডের আবেদন নাকচ করে দেন আম্পায়ার। মুকেশ রাজি করান বৈভবকে রিভিউয়ের জন্য। পরে দেখা যায় বল ব্যাটে লেগেছিল।
মহম্মদ শামি এবং মুকেশ কুমার শুরু থেকেই চাপে রাখছিলেন ওপেনারদের। শামি তাঁর দ্বিতীয় স্পেলে রজত পাটীদারকে বেশ কয়েক বার সমস্যায় ফেলার পরে মুকেশ কুমার তাঁকে লাঞ্চের আগে বোল্ড করে দেন। আর্য লড়াই করছিলেন। তাঁকে ৪৬ রানের মাথায় তুলে নেন মুকেশ। এর পরে লড়াই শুরু হয় যশ রাঠৌর এবং রিঙ্কু সিংহের। যশ শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন।