পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও নিউ জ়িল্যান্ডের কাছে হেরে গেল ভারত। টানা দু’ম্যাচ হারলেও সিরিজ়ের প্রথম তিনটি ম্যাচ জেতার সুবাদে শ্রেয়স আয়ারেরা ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ় জিতলেন। রবিবার হ্যামিল্টনে প্রথমে ব্যাট করে ভারত করে ৮ উইকেটে ১৯১। জবাবে মিচেল স্যান্টনারেরা করলেন ১৮ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৫ রান।
টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন স্যান্টনার। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েও ভাল ভাবে কাজে লাগাতে পারেনি ভারতীয় দল। ব্যর্থ হন ভারতের দুই ওপেনারই। অভিষেক শর্মা ২ বলে ১ রান করে আউট হয়ে যান। রান পাননি সঞ্জু স্যামসনও (৪)। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে চাপের মধ্যে ৩২ বলে ৬১ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলেছেন ঈশান কিশন। ৫টি চার এবং ৫টি ছয় মেরেছেন। রান পেয়েছেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারও। তিনি করেছেন ২৩ বলে ৫০। বেশ কয়েকটা ম্যাচ পর শ্রেয়সকে আমার চেনা ফর্মে দেখা গেল। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৩টি চার এবং ৪টি ছক্কা। ভাল ব্যাট করেন নমন ধীর (২৩ বলে ৩৩)। নীতীশ রেড্ডি করেন ১৭ বলে ২২।
নিউ জ়িল্যান্ডের সফলতম বোলার অ্যাডাম মিলনে ১৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ২৮ রানে ২ উইকেট নাথান স্মিথের। এ ছাড়া ৩৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন ব্লেয়ার টিকনার।
জয়ের জন্য ১৯২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন কিউয়ি ব্যাটারেরা। ওপেনার ফিন অ্যালেন (২) দ্রুত আউট হয়ে গেলেও সমস্যা হয়নি। পরিস্থিতি সামলে নেন টিম সেইফার্ট এবং ড্যারিল মিচেল। তিন নম্বরে নেমে মিচেল করেন ১৬ বলে ২৯। ৪টি ছক্কা মারেন তিনি। ২২ গজ এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন সেইফার্ট। ভাল ব্যাট করলেন গ্লেন ফিলিপসও। ভারতের বোলারদের বল সহজেই খেললেন তাঁরা। হ্যামিল্টনেও প্রত্যাশা অনুযায়ী বল করতে পারলেন না অর্শদীপ সিংহেরা। বরুণ চক্রবর্তীকেও অত্যন্ত সাধারণ দেখাল। সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি কিউয়ি ব্যাটারেরা।
সহজ পরিস্থিতিতেও নিশ্চিত শতরান হাতছাড়া করলেন সেইফার্ট। নীতীশের বলে আউট হলেন ৫০ বলে ৯৩ রান করে। তাঁর ব্যাট থেকে এল ১১টি চার এবং ৫টি ছয়। ফিলিপস ৩৮ বলে ৬৫ রান করে অপরাজিত থাকলেন। মারলেন ৮টি চার এবং ৩টি ছয়। তাঁদের জুটিই নিউ জ়িল্যান্ডের জয়ের লক্ষ্য সহজ করে দেয়। শেষে বেভন জ্যাকবস ১ রানে অপরাজিত থাকেন।
আরও পড়ুন:
অর্শদীপ ১ উইকেট নিলেন ৪০ রান খরচ করে। ৪৫ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন সিরিজ়ে প্রথম বার খেলতে নামা বরুণ। নীতীশের ১ উইকেট ১৯ রানে। ৩৫ রান দিয়েও উইকেট পেলেন না প্রিন্স যাদব। অভিষেক ১ ওভারে খরচ করলেন ১৩ রান। ভুবনেশ্বর কুমার উইকেট না পেলেও দিলেন ৪১ রান।