দলীপ ট্রফি জয়ের দিকে এক কদম এগিয়ে গেল পূর্বাঞ্চল। বুধবার খেলার চতুর্থ দিনে দু’ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলকে অলআউট করে দিল তারা। মাত্র এক রানের জন্য শতরান হল না তিলক বর্মার। তবে দলের হয়ে একাই লড়াই করলেন তিনি। লাল বলের দলে ঢোকার দাবিও জানিয়ে রাখলেন।
উল্লেখ্য, শেষ বার ২০১২-১৩ মরসুমে দলীপ জিতেছিল পূর্বাঞ্চল। তার আগের বছরেও ট্রফি জিতেছিল। সেই হিসাবে ১৪ বছর পর ট্রফি জেতার সামনে পূর্বাঞ্চল। তবে মাঝে পাঁচ বছর আঞ্চলিক ফরম্যাটে খেলা হয়নি। দু’বছর কোভিডের কারণে এই প্রতিযোগিতা হয়নি।
ঈশান কিশনের দ্বিশতরানে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৭০৮ রান তুলেছিল পূর্বাঞ্চল। জবাবে ৩৩৬ রানে শেষ হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংস। অর্থাৎ প্রথম ইনিংসে ৩৭২ রানে এগিয়ে রয়েছে পূর্বাঞ্চল। ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচের ফয়সালা না হলে প্রথম ইনিংসে যে দল এগিয়ে থাকে তারাই জেতে। সেই হিসাবে পাঁচ দিনে দলীপ ফাইনালের ফলাফল না হলেও প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে ট্রফি জেতার কথা পূর্বাঞ্চলেরই। ক্রিকেট মহান অনিশ্চয়তার খেলা হলেও এখন পরিস্থিতি যা, তাতে পূর্বাঞ্চলকে হারতে হলে অলৌকিক কিছু হতে হবে।
তৃতীয় দিনের শেষে ২৪২ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল দক্ষিণাঞ্চল। এ দিন সেখান থেকে খেলা শুরু করে তারা। তবে চামা মিলিন্দ এবং তিলকের জুটিকে বিপদে ফেলতেই পারছিলেন না পূর্বাঞ্চলের বোলারেরা। দু’জনে ধীরে ধীরে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন।
আরও পড়ুন:
এমন সময় দক্ষিণাঞ্চলকে ধাক্কা দেন শিখর মোহন। তিনি ফেরান মিলিন্দকে (৪৩)। এর পরেই ধসে যায় দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংস। ত্রিপুরাণা বিজয় (১) এবং মহম্মদ সিরাজ (১) কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও তা যথেষ্ট ছিল না।
শতরানের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলেও তিলক বুঝতে পেরেছিলেন সময় কম। তাই চালিয়ে খেলতে গিয়ে ৯৯ রানের মাথায় কৌনাইন কুরেশির বলে তাঁর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।