Advertisement
E-Paper

ভারতের মাটিতে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট! লাল বলের লড়াইয়ের আকর্ষণ বাড়াতে ভাবনা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার

আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলগুলিকে আর্থিক সাহায্য করে ভারতীয় সংস্থাগুলি। ভারতের ক্রিকেট বাজারের লাভ ঘরে তুলতে চাইছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কর্তারাও।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২৬ ১৩:৩৬
Picture of Cricket

অ্যাশেজ় আধার। — ফাইল চিত্র।

অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের লাল বলের লড়াই হতে পারে ভারতে। বিগ ব্যাশ লিগের ম্যাচের পর অ্যাশেজ় সিরিজ়ও ভারতের মাটিতে আয়োজন করতে চায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ভারতের ক্রিকেটীয় বাজারকে ধরাই লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট কর্তাদের।

ক্রিকেট বাণিজ্যের ভরকেন্দ্র এখন ভারত। ভারতীয় সংস্থাগুলির টাকাতেই মূলত চলছে গোটা বিশ্বের ক্রিকেট। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ছাড়াও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) অধিকাংশ পৃষ্ঠপোষক ভারতের। আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলগুলিকেও বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সাহায্য করেছে ভারতীয় সংস্থাগুলি। ভারতের ক্রিকেট বাজারের লাভ ঘরে তুলতে চাইছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কর্তারাও। অ্যাশেজ়ের মতো জনপ্রিয় সিরিজ় ভারতের মাটিতে আয়োজন করে মুনাফা লাভের কথা ভাবছেন তাঁরা।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চিফ এক্সিকিউটিভ টড গ্রিনবার্গ ভারতের মাটিতে অ্যাশেজ় আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ভারতে অ্যাশেজ় সিরিজ়ের এক-দু’টি টেস্ট আয়োজন করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পরিচালন পর্ষদ সবুজ সঙ্কেত দিলে তাঁরা পরিকল্পনা করবেন। বিষয়টি এই মুহূর্তে প্রাথমিক প্রস্তাবের স্তরে রয়েছে। ২২ গজের সবচেয়ে পুরনো লড়াইকে আরও ক্রিকেটপ্রেমীর মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং সর্বোচ্চ ব্যবসায়িক লাভ তাঁদের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন গ্রিনবার্গ।

ভারতে এখনই অ্যাশেজ় সিরিজ় আয়োজনের সম্ভাবনা নেই। ২০২৭ সালের পর হতে পারে। প্রথম টেস্টের ১৫০ বছর উপলক্ষ্যে আগামী মার্চে মেলবোর্নে দিন-রাতের টেস্ট খেলবে অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড। এই টেস্ট অ্যাশেজ়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। যা হওয়ার তার পরই হবে। গ্রিনবার্গ বলেছেন, ‘‘আমরা সব সম্ভাবনা খোলা রেখে এগোতে চাই। ইংল্যান্ড এবং ভারত দু’দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ভাল। নিশ্চিত ভাবেই ভারতে আমরা নির্দিষ্ট কিছু কাজ করতেই পারি। এখনই এমন কিছু হচ্ছে না। তবে আগামী দিনের পরিকল্পনা তৈরির সময় সব সম্ভাবনা খোলা রাখব আমরা।’’

ভারতের মাটিতে অ্যাশেজ় সিরিজ় আয়োজন করতে হলে সংশ্লিষ্ট তিন দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্মতি প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন গ্রিনবার্গ। তিনি বলেছেন, ‘‘আমার মনে হয়, আমাদের, ইংল্যান্ড এবং ভারতের টেস্ট ক্রিকেট এখন বেশ শক্তিশালী। গোটা ক্রিকেট বিশ্বের নিরিখে এটাকে ব্যতিক্রম বলাই যায়। তাই আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, টেস্ট ক্রিকেটের প্রচার এবং প্রসার আমরা অব্যাহত রাখব। বিশ্ব ক্রিকেটে আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল সময়। এক বছরে ৩৬৫ দিন থাকে। এটাই চ্যালেঞ্জ। আমরা যে ভাবে ক্রিকেটের পরিকল্পনা করতে চাই, তার জন্য আরও এক-দু’মাস অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে ভাল হত।’’

গ্রিনবার্গের মতে, এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগগুলি যে ভাবে সব দেশে প্রভাব বিস্তার করছে, তার মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই এই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড টেস্ট ক্রিকেট ভারতে আয়োজন করা গেলে, তিন দেশই অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবে বলে মনে করেন তিনি। একই সঙ্গে টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তাও বাড়বে। ঠাসা সূচির মধ্যে ক্রিকেটপ্রেমীদের আরও বেশি টেস্ট উপহার দিতে চান তিনি। নিরপেক্ষ দেশে টেস্ট আয়োজন লাল বলের লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করবে বলে মনে করছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কর্তারা। উল্লেখ্য, আগামী বিগ ব্যাশ লিগের উদ্বোধনী ম্যাচ হবে চেন্নাইয়ে।

The Ashes Cricket Australia ECB BCCI test cricket

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy