এক সময় রূপনারায়ণপুরের এই টাওয়ার ছিল স্থানীয়দের যোগাযোগের অন্যতম ভরসা। সেই পরিচিত দৃশ্য আর দেখা যাবে না। হিন্দুস্তান কেব্লসের পরিত্যক্ত শিল্পচত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা বিএসএনএলের প্রায় ৬০ মিটার উচ্চতার টাওয়ারটি শুক্রবার কেটে সরিয়ে ফেলা হল।
সকাল থেকে টাওয়ার কাটার কাজ শুরু হয়। প্রশ্ন ওঠে, কীসের ভিত্তিতে কাটা হচ্ছে এই বিশাল কাঠামো। ঘটনাস্থলে আসেন বিজেপি নেতা সঞ্জয় শর্মা-সহ কয়েক জন বাসিন্দা। প্রথমে তাঁদেরও আশঙ্কা ছিল অনিয়মের। পরে বিএসএনএলের অনুমোদিত নথি ও প্রয়োজনীয় কাগজ দেখে তাঁরা নিশ্চিত হন যে, নিয়ম মেনেই ঠিকাদারের মাধ্যমে চলছে কাজ। খবর পেয়ে সালানপুর থানার রূপনারায়ণপুর ফাঁড়ির পুলিশও বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয়। এর পর নির্বিঘ্নে চলে টাওয়ার ভাঙার কাজ। বিএসএনএলের এক প্রাক্তন আধিকারিক জানান, এক সময় এই টাওয়ার থেকে তিন থেকে পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের বিস্তীর্ণ এলাকায় মোবাইল পরিষেবা ও ইন্টারনেটের সুবিধা দেওয়া হত। ২০২০ সালের পর থেকে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। কর্মী সংখ্যা কমে, আধিকারিকরা স্বেচ্ছাবসর নেন, রক্ষণাবেক্ষণও দুর্বল হয়ে পড়ে।
অভিযোগ, বহু কেব্ল চুরি যায়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে টাওয়ারটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। নিরাপত্তার স্বার্থে কর্তৃপক্ষ টাওয়ার সরানোর সিদ্ধান্ত নেন। গ্রাহকদের দাবি, দ্রুত নতুন ব্যবস্থা না নিলে ভাল হয়।