E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

পাহাড়ি এলাকায় সবুজ ফেরাতে বাজি ‘সিড বল’

মুখ্যমন্ত্রী জঙ্গলমহলের বনভূমি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘‘অরণ্যসুন্দরী ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলাকে আকাশ থেকে দেখলে কষ্ট হবে। দশ বছর আগে ঘন জঙ্গল ছিল। আজ কী অবস্থা হয়েছে!’’

রঞ্জন পাল

শেষ আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬ ০৪:১৫

—প্রতীকী চিত্র।

ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার বিস্তীর্ণ অরণ্যর ছবিটা গত এক দশকে অনেকটাই বদলেছে। পাহাড়ি এলাকার বহু অংশেই হারিয়ে যেতে বসেছে সবুজ। এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। জঙ্গলমহলের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সবুজ ফিরিয়ে আনতে এ বার চারা রোপণের বদলে 'সিড বল' ছড়িয়ে দেবে বন দফতর। অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে ১৮ জুলাই বেলপাহাড়ি, বাঁশপাহাড়ি ও ভুলাভেদায় শুরু হবে এই কর্মসূচি।

অরণ্য সপ্তাহের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জঙ্গলমহলের বনভূমি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘‘অরণ্যসুন্দরী ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলাকে আকাশ থেকে দেখলে কষ্ট হবে। দশ বছর আগে ঘন জঙ্গল ছিল। আজ কী অবস্থা হয়েছে!’’ ‘সিড বল’ এই অবস্থা বদলাবে বলেই মনে করছেন বন আধিকারিকেরা। এই কাজে বনকর্মীদের সাহায্য করছেন বন সুরক্ষা কমিটির লোকজন। ঝাড়গ্রামের ডিএফও উমর ইমাম বেলপাহাড়ি ব্লকের একাধিক পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শন করে ‘সিড বল’ ছড়ানোর জায়গা চিহ্নিত করেছেন। বন দফতর সূত্রের খবর, প্রথম পর্যায়ে দু’হাজার ‘সিড বল’ তৈরি করা হচ্ছে। সেগুলি তৈরি হচ্ছে গোবর, জৈব সার ও মাটির মিশ্রণে। ভিতরে থাকবে নিম, আকাশমনি, বাবলা, বট ও অশ্বত্থ-সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের বীজ। প্রতি বলে তিনটি করে বীজ রাখা হবে। যাতে অন্তত একটি বীজের অঙ্কুরিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দফতরের এক আধিকারিক জানান, অনেক পাহাড়ি বা পাথুরে এলাকায় মানুষ পৌঁছতে পারেন না। ওই এলাকায় ‘সিড বল’ বর্ষার জলে ভিজে নরম হলে বীজ অঙ্কুরিত হতে পারে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Seeds

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy