Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

দেশ থেকে দূরে, পুজোর আবেগে কাছে! সারে’তে প্রয়াসের আয়োজনে এক টুকরো বাংলা

দেশ থেকে বহু দূরে থাকলেও দুর্গাপুজোর আবেগে ভাটা পড়ে না বাঙালির। ঢাকের আওয়াজ, ধূপের গন্ধ আর আপনজনদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ—সব মিলিয়ে প্রবাসেই তৈরি হয় এক টুকরো বাংলা। সেই আবেগকে সঙ্গী করেই এ বছরও সারে’তে দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছে প্রয়াস।

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৫৩
ইংল্যান্ডের সারে’তে  প্রয়াসের দুর্গাপুজো

ইংল্যান্ডের সারে’তে প্রয়াসের দুর্গাপুজো

ঢাকের আওয়াজ, ধুপের গন্ধ, শিউলির সুবাস আর নতুন জামাকাপড়ের আনন্দ—দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির কাছে একরাশ আবেগ। দেশ থেকে দূরে থাকলেও সেই টান মুছে যায় না। বরং প্রবাসের মাটিতেই নিজের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর শিকড়কে আঁকড়ে ধরে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন বাঙালিরা। সেই ভাবনাকে সামনে রেখেই এ বছরেও ইংল্যান্ডের সারে’তে দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছে প্রয়াস।

১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর, ২০২৬—তিন দিন ধরে সারে’র চের্টসি হলে চলবে এই দুর্গোৎসব। মন্ত্রোচ্চারণ, নাচ-গান এবং নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রবাসের মাটিতে তৈরি হবে এক ছোট্ট বাংলা। বিদেশে বেড়ে ওঠা বাঙালি শিশুদের নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াও এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

উৎসবের উদ্বোধন করেছেন গায়িকা সোমা দাস। আর পুজোর ভোগের দায়িত্বে রয়েছে বাঙালি মহিলা উদ্যোগপতি পরিচালিত শর্মি’স কিচেন। এ বছরের আয়োজনে রয়েছে এক অভিনব ভাবনা। পুজোর প্রস্তুতির দায়িত্ব সামলাবেন মহিলারা, আর ভোগ তৈরি করবেন পুরুষেরা। এই উদ্যোগের নেতৃত্বে থাকবেন তাজ বেঙ্গলের প্রাক্তন রাঁধুনি দেবজ্যোতি পাল রায়। দশমীতেও থাকছে বিশেষ চমক। মায়ের বরণ প্রথমে করবেন পুরুষেরা, তার পরে সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মহিলারা।

পুজোর পৌরহিত্য করবেন কলকাতা থেকে যাওয়া তাপস ভট্টাচার্য। তাঁর মন্ত্রোচ্চারণে প্রবাসের পুজোয় ফিরে আসবে কলকাতার চেনা আবহ।

তবে প্রয়াসের কাজ শুধু দুর্গোৎসব আয়োজনেই সীমাবদ্ধ নয়। সমাজের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোও তাদের কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একাধিক স্থানীয় দাতব্য সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতায় প্রয়োজনমতো মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও করেছে এই সংস্থা।

প্রবাসের মাটিতে এই পুজো তাই নিছক কয়েক দিনের উৎসব নয়। বাংলার সংস্কৃতি, শিল্প ও ঐতিহ্যের সঙ্গে দূরদেশে বসবাসকারী বাঙালিদের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে তোলার উদ্যোগ। ধূপের গন্ধ, ঢাকের তালে আর মন্ত্রোচ্চারণে যখন দূরদেশেও বাংলার আবহ তৈরি হয়, তখনই যেন মনে হয়—দুর্গাপুজো শুধু উৎসব নয়, ঘরে ফেরার এক চিরন্তন অনুভূতি। প্রয়াসের পুজোয় প্রবেশ অবাধ। দর্শনার্থীদের জন্য ভোগের ব্যবস্থাও থাকছে বিনামূল্যে।

এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।

United Kingdom Festival Durga Puja

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy