Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

বিজয়ার দিন এলেই খুব মনে পড়ে মায়ের কথা, ছোটবেলার বরণ-সিঁদুরখেলার স্মৃতি হাতড়ান মানালি

বড় হওয়ার পরেও তিনি খুব ঘরোয়া এক জন মানুষই রয়ে গিয়েছেন। রাত জাগা বা কোনও অনিয়মের মধ্যে তিনি থাকতে পছন্দ করেন না। পুজোর অতিরিক্ত ভিড়ও পছন্দ নয়।

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ২১:১৭
পুজো মানেই আমার কাছে বন্ধুবান্ধব, খাওয়াদাওয়া আর পরিবার: মানালি

পুজো মানেই আমার কাছে বন্ধুবান্ধব, খাওয়াদাওয়া আর পরিবার: মানালি

পুজো মানেই মায়ের বাড়ি ফেরা। অনেক ব্যস্ততার মধ্যেও চারটে দিন সকলে মিলে আনন্দ করে কাটানো। এমনই অনেক স্মৃতির কথা ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী মানালি দে।

ছোট বেলায় সরকারি আবাসনে বড় হয়েছেন। সেখানে এখনও বড় করেই পুজো হয়। সবাই আসেন। হইহুল্লোড়, খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে আড্ডা জমে খুব। ছোটবেলায় এই পাড়ার পুজোতেই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে কাটিয়ে দিতেন মানালি।

ছোট থেকেই তিনি ছিলেন বেশ বাধ্য মেয়ে। কোনও দিন শাসনের ঘেরাটোপ পার করেননি। তাই বকাঝকাও খাননি তেমন। বড় হওয়ার পরেও তিনি খুব ঘরোয়া এক জন মানুষই রয়ে গিয়েছেন। রাত জাগা বা কোনও অনিয়মের মধ্যে তিনি থাকতে পছন্দ করেন না। পুজোর অতিরিক্ত ভিড়ও পছন্দ নয়। সারা রাত জেগে ঠাকুর দেখার কোনও অভিজ্ঞতাও নেই তাঁর। তবে ঘরোয়া অনুষ্ঠান বা আড্ডায় মানালি স্বচ্ছন্দ। বললেন, “পুজো মানেই আমার কাছে বন্ধুবান্ধব, খাওয়াদাওয়া আর পরিবার।”

অভিনেত্রীর কথায়, “অনেক ছোটবেলায় কাজ শুরু করেছিলাম। ‘বউ কথা কও’ যখন চলত, তখন আমার ১৭ বছর বয়স। তখন থেকেই পুজো মানে আমার কাছে কোনও মণ্ডপ উদ্বোধনে যাওয়া বা অন্য কিছু না কিছু কাজ। আর কখনও বাড়িতে আড্ডা মারা। এত ছোটবেলা থেকে কাজ শুরু হওয়ার জন্য আমার পুজোগুলো মোটের উপরে কাজের মধ্যে দিয়েই কেটেছে।”

মানালি আরও জানান, ছোটবেলা থেকেই ভিড় খুব একটা পছন্দ নয় তাঁর। কিন্তু আগে যেখানে লাইন দিয়ে ঠাকুর দেখতে যেতেন, এখন সেখানে লোকজন উদ্বোধনের জন্য ডাকেন তাঁকে। অভিনেত্রী হওয়ার আগের এবং পরের এই পরিবর্তনটা বেশ মজার তাঁর কাছে।

পুজোর কেনাকাটার বিষয়ে অভিনেত্রী জানান, এখন সারা বছর জামাকাপড় কেনাকাটা চলতেই থাকে তাঁর। তাই পুজোয় আর আলাদা করে নিজের জন্য কিছু কেনা হয় না। এখন পুজোর কেনাকাটা বলতে বাড়ির লোক বা কাছের মানুষদের উপহার দেওয়ার জন্যই। তবে বাবা আর বরের কাছ থেকে উপহার পান প্রতি বছর।

ছোটবেলায় বিষয়টা অন্য রকম ছিল। আগাগোড়াই তাঁর পুজোর জামা হত কেনাকাটা শেষের দিনে। মানে ষষ্ঠীর দিন তাঁর বাবা তাঁকে নিয়ে যেতেন পুজোর বাজার করতে। ছোটবেলায় তো আর এমন সারা বছর জামাকাপড় কেনা হত না। তাই পুজোর জন্য অপেক্ষা করে থাকতেন মানালি।

আরও একটি দিনের কথা তাঁর এখনও খুব মনে পড়ে। বিজয়া। ছোটবেলা থেকেই এই দিনটায় তিনি মায়ের সঙ্গে বই নিয়ে যেতেন মণ্ডপে। প্রতিমার পায়ে বই ছোঁয়াতেন। দেবীর বরণ সেরে মায়েরা সিঁদুর খেলায় মেতে উঠতেন। ছোট্ট মানালিকেও তিলক পরিয়ে পরিয়ে সিঁদুরে লাল করে দিতেন সকলে।

আজও বিজয়ার দিনটা এলেই মায়ের কথা খুব মনে পড়ে অভিনেত্রীর। ফিরে ফিরে দেখেন মায়ের সঙ্গে কাটানো সেই সব আনন্দ-মাখা মুহূর্ত।

মানালি বলেন, “মা দুর্গার কাছে আমি নিজের মায়ের মতো করেই প্রার্থনা করি। তাই চাইব সবাই ভাল থাকুক, সুস্থ থাকুক।” কারণ তিনি মনে করেন, বাড়ির লোক যদি সুস্থ থাকে, তা হলেই সবার পুজো ভাল কাটে, আনন্দে কাটে।

এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।

Manali Dey Durga Puja

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy