সিরাজকে হারানোর ক্ষত আজও দগদগে, কালীপুজোর ঠিক আগে কী কাতর বার্তা সায়ন্তিকার?
সায়ন্তিকা বরাবরই পশুপ্রেমী। রাস্তার চারপেয়ে সারমেয়দের জন্যেও মন কাঁদে তাঁর। বিশেষ করে দীপাবলিতে তাদের সুরক্ষার জন্যেই বিশেষ আর্জি জানালেন তিনি।
বরাবরই পশুপ্রেমী। অভিনেত্রীর নিজের বাড়িতেও চারপেয়ে সারমেয় বন্ধুদের আনাগোনা। তারাই নায়িকার সন্তানসম।
কথা হচ্ছে সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে। অভিনয় এবং রাজনীতির মঞ্চের পাশাপাশি সমাজমাধ্যমেও বেশ সক্রিয় থেকেছেন তিনি। সেখানেই চোখ বোলালে দেখা প্রায়শই দেখা যায় আদরের পোষ্যদের সঙ্গে তাঁর আদুরে মুহূর্ত।
তবে গত বছর, তিনি হারিয়েছেন তাঁর এক সন্তানকে। নাম ‘সিরাজ’। সমাজমাধ্যমে প্রিয় পোষ্যের ছবি ভাগ করে নিজেই জানিয়েছিলেন তাঁর চলে যাওয়ার খবর।
সন্তান হারানোর এই কষ্ট তিনি উপলব্ধি করেছেন আগেই। আর সেই কারণেই সমস্ত পোষ্যদের জন্যই চিন্তিত তাঁর মন। বিশেষ করে দীপাবলির আগে বেজায় সকলকে সতর্ক করলেন তিনি।
আনন্দবাজার ডট কম-এর তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল নায়িকার সঙ্গে। ভূত চতুর্দশী থেকে কালীপুজো, সব প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই উঠে আসে পোষ্যদের কথাও।
আরও পড়ুন:
নায়িকার আর্জি, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি, শব্দবাজি ফাটানো থেকে বিরত থাকুন। শুধু বাড়ির পোষ্য নয়, রাস্তার কুকুর,বিড়ালরা-সহ অন্যান্য পশুপাখি রয়েছে, তাঁদের কথা ভেবেও সতর্ক হওয়া উচিত।”
সায়ন্তিকার কথায়, ওরা অনেক উচ্চ ডেসিবলে আওয়াজ শুনতে পায়। অর্থাৎ মানুষের কাছে শব্দবাজির সামান্য আওয়াজও তাদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
সামনেই কালীপুজো, যদিও এ দিন অভিনেত্রীর বিশেষ পরিকল্পনা না থাকলেও তিনি বলেন, “কাজকর্ম যেমন থাকবে সেই ভাবেই দিনটা কাটাব।” তবে তিনি ভাগ করে নেন ‘সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়’ হয়ে ওঠার আগে ছোটবেলার কালীপুজোর কথা।
“আমি ছোটবেলায় নির্জলা উপোস করতাম। সারাদিন না খেয়ে মায়ের পুজোয় বসতাম। এখন অবশ্য তা আর পেরে উঠি না। পাশাপাশি কাজের সূত্রে কোথাও যেতে হলে সারাদিন উপোস করা সম্ভব হয় না।” বলেন নায়িকা।
আরও পড়ুন:
অবশ্য তাঁর কথায়, “এগুলো আসলে সবটাই মনের ব্যাপার। মন চাইলে অবশ্যই নিষ্ঠাভরে উপোস করে মায়ের পুজো দেব।” (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)