লাল, হলুদ নাকি পান্না সবুজ? ধনতেরাসের শুভ মুহূর্তে কোন রঙের পোশাক পরলে খুলবে সৌভাগ্যের দুয়ার?
ধনতেরাসে বাড়িতে পুজো কিংবা ঘুরতে বেরিয়েছেন কোথাও? উৎসবের আমেজ ধরে রাখতে কোন রং বেছে নেবেন? রইল হদিশ।
দীপাবলির সূচনা মানেই ধনতেরাসের হাতছানি। ঘরের দোরগোড়া থেকে সোনার দোকান— সর্বত্র আলো আর শুভ সূচনা। কিন্তু এই উৎসবের আমেজকে ধরে রাখতেও বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রঙের গুরুত্ব অপরিসীম। কোন রঙ বাছবেন?
লাল : শুভ শক্তি, সমৃদ্ধি ও উৎসবের সবচেয়ে বড় প্রতীক লাল। যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানে লালের চেয়ে উজ্জ্বল আর কিছু হতে পারে না। ধনতেরাসের সন্ধ্যায় লাল রঙের বেনারসি, চান্দেরি বা তসর শাড়ি অথবা ভারী কাজের লাল সালোয়ার-কামিজ যে কারও নজর টানবে।
হলুদ: আনন্দ, প্রাচুর্য ও ইতিবাচকতার প্রতীক হলুদ। হলুদ বা সর্ষে রঙের পোশাকে আসবে উৎসবের উজ্জ্বলতা। তাই হলুদ রঙের যে কোনও পোশাক রাখতে পারেন ধনতেরাসের সাজে।
সবুজ: প্রকৃতি, বৃদ্ধি ও নতুন সম্ভাবনার প্রতীক। পান্না সবুজ বা বটল গ্রীনের কদর কিন্তু আজও কমেনি।
কমলা : শক্তি ও উষ্ণতার প্রতীক কমলা। এই রঙের শাড়ি বা কুর্তিতে ধনতেরাসের সন্ধ্যায় আপনার সাজ নজর কাড়বেই।
আরও পড়ুন:
সাদা, ক্রিম বা অফ হোয়াইট: শান্তির প্রতীক এই রং । সোনালি গয়নার সঙ্গে এই রং দারুণ মানাবে। বাড়িতে বা দোকানে পুজো হলে এই রঙে আপনাকে করে তুলবে অনন্যা। চড়া সাজ তাঁদের একদম অপছন্দ, তাঁরা এই রং বেছে নিতে পারেন।
মেরুন বা ওয়াইন: আভিজাত্য ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন ঘটায় মেরুন। রাতের দিকের সাজ হলে এই রঙের জুড়ি মেলা ভার।
গোলাপি: ভালবাসা, কোমলতা ও আনন্দের প্রতীক গোলাপি। প্যাস্টেল গোলাপি কিংবা গাঢ় গোলাপি রং বেছে নিতে পারেন আপনার ধনতেরাসের সাজে।
বেগুনি : যুগ যুগ ধরে বেগুনি আভিজাত্য ও রাজকীয়তার প্রতীক। বেগুনি সিল্ক শাড়ি, বালুচরী বা কাঞ্জিভরম ধনতেরাসের সন্ধ্যায় আলাদা আকর্ষণ হতে পারে। ল্যাভেন্ডার রঙের ডিজাইনার কুর্তিও আলাদা ভাবে নজর কাড়বেই।
আরও পড়ুন:
তবে ফ্যাশনের সবচেয়ে বড় নিয়ম হলো নিজের স্বাচ্ছন্দ্য। যে রঙে আপনি নিজে ভেতর থেকে আত্মবিশ্বাসী অনুভূত হবেন সেই রংই বেছে নিন। ট্রেন্ডে গা ভাসাতে সকলেই চায়, আপনি না হয় খানিক আলাদা হলেন। মন্দ কী? এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।