ধনতেরসে নতুন জিনিস কিনছেন? অমঙ্গল ডেকে আনছেন না তো? এড়িয়ে চলবেন যে সব জিনিস
ধনতেরসের দিনে সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধিলাভের আশায় নতুন জিনিস কেনাকাটা করছেন? অজান্তেই জীবনে ডেকে আনছেন না তো অমঙ্গলের ছায়া? নতুন জিনিস কিনতে গেলে এড়িয়ে চলুন বেশ কিছু জিনিস। বিপদ এড়ানো যাবে সহজেই।
মাত্র ক’দিন পর ধনতেরস। আর ধনতেরস মানে ধন-সম্পদ, ঐশ্বর্য, সমৃদ্ধি এবং সৌভাগ্যের আবাহনের দিন। সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধি লাভের আশায় অনেকেই এ দিন নতুন জিনিস কিনে থাকেন। বিশেষ করে সোনা বা রুপো। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
কিন্তু নতুন কিছু কিনলেই যে আপনার জীবনের সুখ-সমৃদ্ধি আসবে, বিষয়টা তেমন নয়। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী এমন অনেক জিনিস রয়েছে, যা ধনতেরসের দিনে কেনা একেবারেই শুভ নয়। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
অনেকেই বিশ্বাস করেন, সে সব জিনিস কিনলে আপনার জীবনে ধেয়ে আসতে পারে দুর্ভাগ্য। তাই এ বিষয়ে একটু সতর্ক থাকাই ভাল। সে ক্ষেত্রে অজান্তেই নিজের জীবনে সমস্যা তৈরির থেকে বাঁচবেন। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
আরও পড়ুন:
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, লোহা ধাতুটিকে শনি দেবের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মানা হয়। তাই ধনতেরসে লোহা কিনলে জীবনে শনির অশুভ প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হয়। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
আরও পড়ুন:
এই দিনে ছুরি, কাঁচি বা এ রকম কোনও ধারালো জিনিস কেনা থেকে বিরত থাকুন। এমন এক শুভ দিনে ধারালো জিনিস কিনলে সংসারে অশান্তি বা খারাপ প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশ্বাস রয়েছে। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানে কালো রঙের জিনিসকে অশুভ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই ধনতেরসের মতো শুভ দিনে কালো রঙের কোনও রকম জিনিস না কেনাই ভাল। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
একই কারণে ওই দিন কালো রঙের পোশাকও না পরার চেষ্টা করুন। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
আরও পড়ুন:
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে বাড়িতে কোনও ভঙ্গুর জিনিস নিয়ে আসা শুভ নয়। যেমন কাচ খুবই ভঙ্গুর। তাই ধনতেরসে কাচের বাসন না কেনাই ভাল। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
শুধু বাসন নয়, কাচের অন্য কোনও জিনিস— যেমন, ঘর সাজানোর জিনিসও না কেনার চেষ্টা করবেন। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
অনেকেই ধনতেরসে নতুন বাসন কেনেন। বিশেষত সোনা, রুপো কিংবা পিতলের বাসন কেনা খুবই শুভ বলে মনে করেন বেশির ভাগই। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, এই বাসনে যদি আপনি চাল, ধান, মিষ্টি বা এই জাতীয় কিছু দিয়ে পুরনো করে তার পরে বাড়িতে আনেন, তবে তা অত্যন্ত শুভ। বিশ্বাস করা হয়, সে বাড়িতে কোনও দিন অন্নকষ্ট হয় না। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
তবে এই সব কিছুই সামাজিক রীতি নীতি বা লোকবিশ্বাস। বিজ্ঞানসম্মত ভাবে এগুলোর কোনওটিই প্রমাণিত নয়, বা এমন কোনও বিধানও নেই। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
প্রজন্মের পর প্রজন্ম মুখে মুখে এ সব রেওয়াজ চলে আসছে। এর প্রভাব এতটাই গভীর যে, মানুষ এগুলিকে নিয়ম বানিয়ে ফেলেছে। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।)
এই ধরনের প্রচলিত বিশ্বাস পরিবার এবং অঞ্চলভিত্তিক হয়। সবশেষে নিজের মনে ভক্তিকেই প্রাধান্য দেওয়া ভাল। (ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।) (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)