দীপাবলিতে বাজি কেনার ধুম? প্যাকেটের এই খুঁটিনাটিগুলি দেখে তবেই পকেট থেকে টাকা বের করবেন?
কালীপুজো বা দীপাবলি মানেই বাজির রোশনাই। আতসবাজির আলোয় ঝলমল করবে উৎসবের রাত। তবে আনন্দের উদ্যাপনে বিপদ এড়াতে বাজি কেনার সময় কয়েকটি বিষয় যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
সামনেই কালীপুজো। আলোর উৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। বাড়ি সাজানো থেকে পুজোর আয়োজন, বাদ নেই কিছুই। উৎসবের রাতে আতসবাজির আলোয় ঝলমল করবে আকাশও। তবে বাজি ফাটানোর আনন্দে যাতে কোনও বিপদ না ঘটে, তার জন্য সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষ করে বাজি কেনার সময় কয়েকটি বিষয় অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া উচিত।
পরিবেশদূষণ কমাতে দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে সবুজ বাজি কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়। তাই বাজি কেনার আগে প্যাকেটের গায়ে সবুজ বাজির পরিচয় ও নির্দিষ্ট কিউআর কোড রয়েছে কি না, দেখে নিন। শুধু প্যাকেটের রং দেখে সবুজ বাজি চিনবেন না।
বাজি কেনার ক্ষেত্রে দোকানের বৈধতা যাচাই করাও জরুরি। সরকার অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকেই বাজি কিনুন। যত্রতত্র বা অবৈধ দোকান থেকে বাজি কেনা এড়িয়ে চলুন।
বাজির প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ লেখা রয়েছে কি না, দেখে নিন। পুরনো বা মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া বাজি কেনা থেকে বিরত থাকুন। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বাজি তৈরিতে কী ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে, তার উল্লেখ প্যাকেটের গায়ে রয়েছে কি না দেখে নিন। নিষিদ্ধ বা ক্ষতিকারক রাসায়নিকযুক্ত বাজি কেনা থেকে বিরত থাকাই ভাল।
আরও পড়ুন:
প্রতিটি বাজি পোড়ানোর পদ্ধতি এক রকম নয়। তাই প্যাকেটের গায়ে দেওয়া ব্যবহারের নির্দেশিকা ভাল করে পড়ে নিন। বাজি পোড়ানোর নিয়ম বা প্রয়োজনীয় সতর্কতার উল্লেখ না থাকলে সেটি না কেনাই ভাল।
বাজির প্যাকেট শুকনো ও অক্ষত হওয়া জরুরি। ভেজা, স্যাঁতস্যাঁতে, ছেঁড়া কিংবা প্যাকেট থেকে বারুদ বেরিয়ে আসছে, এমন বাজি কোনও ভাবেই কিনবেন না। সামান্য অসতর্কতাও বিপদের কারণ হতে পারে।
বাজি কেনার আগে তার শব্দের মাত্রা কত, তা জেনে নিন। শব্দবাজির ক্ষেত্রে নির্ধারিত সরকারি শব্দসীমা মেনে চলা জরুরি। নির্দিষ্ট সীমার বেশি শব্দ তৈরি করে, এমন বাজি কেনা থেকে বিরত থাকুন।
বাজির সলতে খুব ছোট কি না, তা দেখে নিন। সলতে অক্ষত ও উপযুক্ত দৈর্ঘ্যের হওয়া জরুরি। তবে সলতে টেনে বা বাজি নাড়াচাড়া করে পরীক্ষা করবেন না। স্থানীয় ভাবে তৈরি নিষিদ্ধ শব্দবাজি থেকেও দূরে থাকুন।
আরও পড়ুন:
এটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।