ছোটবেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়া থেকে বড়বেলায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, পুজো কাটানোর ধরন বদলে গেলেও পুজোর আনন্দ কখনওই বদলে যায় না। এ বছর পুজোয় মুক্তি পাচ্ছে তাঁর নতুন ছবি। তাই প্রচার নিয়ে ব্যস্ত অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। তবুও পুজোর আগে সব কাজ সামলে নিয়ে পরিবার এবং বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আনন্দ করে কাটাতে চান উৎসবের বাকি দিনগুলো।
২৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে তাঁর নতুন ছবি ‘কেয়ার অব এ জার্নি'। প্রতীক সরকারের পরিচালনায় সাধারণ এক বাচ্চা ছেলেকে নিয়ে, মিষ্টি একটা গল্প। অভিনেতা আশাবাদী, দর্শক ভালোবেসে এই ছবিটি গ্রহণ করবেন।
দেবী দুর্গার কাছে তিনটে বর চাওয়ার সুযোগ পেলে কী কী চাইবেন? উত্তরে তিনি বলেন, "এমন একটা শক্তি চাইব, যাতে সব সিনেমাগুলো হিট করিয়ে দিতে পারি। চাইব অফুরন্ত কাজ আসুক। তা ছাড়া, আমার এবং আমার পরিবারের সকলে যেন সব সময়ে ভাল থাকে।"
ছোটবেলার পুজোর অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বনি জানান, দশমীর দিন যেহেতু ভিড় অনেকটাই কমে যেত, তাই ওই দিন তাঁর বাবা, তাঁকে এবং তাঁর পাড়ার বন্ধুদের একসঙ্গে গাড়ি করে ঘুরতে নিয়ে যেতেন। যতগুলো মণ্ডপ ঘোরা সম্ভব ঘুরে, দুপুরের খাবার খেয়ে সবাই বাড়ি ফিরতেন। তার পরে সন্ধ্যায় পাড়ায় সিঁদুর খেলা, বিসর্জন, এ সব তো ছিলই। আর এই সব কিছুর জন্যই অভিনেতার কাছে ছোটবেলায় দশমীর আলাদা আকর্ষণ ছিল।
কলেজজীবন থেকে পুজোর এই চেনা ছবি অনেকখানি বদলে গিয়েছে। তখন থেকেই রাতে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখা, আড্ডা দেওয়া, পার্টি করা, সারারাত জেগে আনন্দ করে সকালের আলো দেখে বাড়ি ফেরা, এটাই হয়ে আসছে প্রতি পুজোয়। ছোটবেলার নিষেধাজ্ঞাগুলো বড়বেলায় আর নেই। এ বছর পুজোতেই সে রকমই পরিকল্পনা অভিনেতার।
বনি জানান, স্কুল থেকে কলেজ পর্যন্ত প্রতি বছর পুজোয় নতুন নতুন প্রেম হতো। সে সময়ে যাকেই দেখতেন, ভাল লেগে যেত। ছোটবেলায় যা হয় আর কী! কিন্তু বর্তমানে বিষয়টা একদম আলাদা। অভিনেতা বলেন, "যখন থেকে আমার আর কৌশানির সম্পর্ক শুরু হয়, তারপর থেকে প্রত্যেক পুজোয় নতুন করে ওরই প্রেমে পড়ি।"
দেদার ব্যস্ততা, নতুন ছবির মুক্তি, আরও নানা কিছুর মধ্যেও পুজোর আনন্দের টান বনির কাছে আলাদা। পুজো কবে আসবে? অপেক্ষায় অভিনেতা।
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।