বাংলা বিনোদনজগতে ইন্দ্রাণী হালদারের পরিচিতি দীর্ঘ দিনের। একের পর এক ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। টেলিভিশনের পর্দাতেও তাঁর জনপ্রিয়তা কম নয়। তাই পর্দার বাইরেও অভিনেত্রীর পুজো কী ভাবে কাটে, সে দিকে নজর থাকে অনুরাগীদের। এ বার বিজয়া দশমীতে সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নেওয়া তাঁর কিছু মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে চর্চা।
দুর্গাপুজোর শেষ দিনে মনখারাপের সুর থাকলেও বাঙালির ঘরে ঘরে চলে দেবীবরণের আয়োজন। পাড়ার পুজো হোক বা বনেদি বাড়ি, দশমীতে মাকে বরণ করে বিদায় জানান মহিলারা। সেই চেনা রীতিতেই মেতে উঠেছিলেন ইন্দ্রাণী। শাড়ি ও গয়নায় সেজে দেবীর সামনে হাজির হন অভিনেত্রী।
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, দেবীর হাতে ও পায়ে আলতা পরিয়ে দিচ্ছেন তিনি। তার পরে প্রতিমাকে টিপ ও নেলপলিশ পরাতেও দেখা যায় তাঁকে। যা দেখে সমালোচনার শেষ নেই। এক জন লেখেন, ‘‘পাগল মহিলা। অসভ্যতার শেষ নেই।’’
অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও এর আগে আলোচনা হয়েছে। নিজের মায়ের সোনার গয়না হারিয়ে ফেলার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। পরে সেই গয়না খুঁজেও পান। এ বার দশমীর ছবি সামনে আসতেই সমাজমাধ্যমে নানা মন্তব্য করতে শুরু করেছেন নেটাগরিকদের একাংশ। কেউ তাঁর উদ্যাপনের মুহূর্ত নিয়ে আলোচনা করেছেন, আবার কেউ করেছেন কুরুচিকর মন্তব্য। ফলে দেবীবরণের ছবিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
দশমী মানেই বিদায়ের সুর। কয়েক দিনের উৎসব, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, আড্ডা, খাওয়াদাওয়া—সব শেষে ফের রোজকার জীবনে ফিরে যাওয়ার পালা। আবার একটা বছরের অপেক্ষা। এই আবহেই সমাজমাধ্যমে সামনে এসেছে অন্য তারকাদের বিজয়ার মুহূর্তও।
তারকাদের পুজোর মুহূর্ত নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহ নতুন নয়। তবে উৎসবের ছবি ঘিরে আলোচনা বা মতামত যতই থাকুক, কুরুচিকর মন্তব্য যে সেই আনন্দকে ম্লান করে দিতে পারে, ইন্দ্রাণীর ছবিকে ঘিরে প্রতিক্রিয়ায় ফের সামনে এল সেই প্রশ্ন।
(এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)