Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

‘আমরা স্বামী-স্ত্রী হয়ে গিয়েছিলাম’, প্রেম ভেঙেছে এনার! পুজোর আগে প্রাক্তনের কোন স্মৃতি মনে পড়ছে অভিনেত্রীর?

দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক। বিয়ের পরিকল্পনাও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায় সেই প্রেম। বিচ্ছেদের পর নিজেকে কী ভাবে সামলেছিলেন এনা সাহা? পুজোর আগে প্রাক্তনের কোন স্মৃতি এখনও তাজা অভিনেত্রীর মনে?

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ১১:২৪
পুজোয় কী করছেন এনা?

পুজোয় কী করছেন এনা?

কয়েকটা বছরে প্রায় স্বামী-স্ত্রীর মতোই হয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। একসঙ্গে জীবন কাটানোর পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু সব প্রেমের গল্পের শেষটা যে ‘হ্যাপি এন্ডিং’ হয় না! অভিনেত্রী তথা প্রযোজক এনা সাহার ক্ষেত্রেও শেষ পর্যন্ত তেমনটাই হয়েছে। পুজোর আগে যখন চারপাশে প্রেম, নতুন সম্পর্ক আর একসঙ্গে উৎসব কাটানোর গল্প, তখন এনার মনে পড়ে যায় তাঁর জীবনের পুরনো এক অধ্যায়ের কথা। যে সম্পর্ক একসময় ছিল তাঁর প্রতিদিনের অভ্যাস, সেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে নিজেকে সামলানো সহজ ছিল না অভিনেত্রীর।

এনা যে সম্পর্কে রয়েছেন, সে কথা কখনও প্রকাশ্যে আলাদা করে জানাননি। আবার কারও থেকে লুকিয়েও রাখেননি। বাঙালি সেই যুবক মূলত থাকতেন কোরিয়া, সিঙ্গাপুর এবং দুবাইয়ে। এনা বলেন, “আমার জীবনে মোট তিনটে সম্পর্ক হয়েছে। ওর সঙ্গে সবচেয়ে বেশিদিন সম্পর্কে ছিলাম। তাই যখন সম্পর্কটা আর থাকল না, নিজেকে বোঝাতে সময় লেগেছিল অনেকটা।”

সেই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন মা এবং বোন। কারণ সম্পর্কটা শুধু প্রেমের ছিল না, ধীরে ধীরে তা হয়ে উঠেছিল দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ। অভিনেত্রীর কথায়, “আমরা প্রায় স্বামী-স্ত্রীই হয়ে গিয়েছিলাম। একটা চকোলেট খেতে গেলেও আমার ওকে প্রয়োজন হত। আচমকা এত বছরের একটা অভ্যাস চলে গেলে কষ্ট তো হবেই।”

বিচ্ছেদের ধাক্কা সামলাতে নিজেকে ব্যস্ত রাখার পাশাপাশি আধ্যাত্মিকতার দিকেও মন দিয়েছিলেন এনা। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে উঠেছেন বলে জানান অভিনেত্রী।

সম্পর্কটা কতটা গভীর ছিল, তার প্রমাণ মেলে ভবিষ্যতের পরিকল্পনাতেও। এনা বলেন, “আমরা তো বিয়ের পরিকল্পনাও করে ফেলেছিলাম। আমার প্রযোজনা সংস্থাতেও ও অনেক সাহায্য করেছিল।” তাই দুর্গাপুজো এলেই পুরনো দিনের স্মৃতিগুলো যেন আরও একটু বেশি করে ফিরে আসে। বিশেষ করে প্রথম দুর্গাপুজোর সেই স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি এনা।

প্রাক্তন প্রেমিক শুধু এনার জীবনের মানুষ ছিলেন না, ধীরে ধীরে পরিবারেরও অংশ হয়ে উঠেছিলেন। একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সময় কাটানো থেকে শুরু করে পুজোর সাজ—সবেতেই ছিল সঙ্গীর উপস্থিতি। প্রথম দুর্গাপুজোয় রঙ মিলিয়ে পোশাক পরার ইচ্ছেটাও ছিল এনার। অভিনেত্রী বলেন, “প্রথম দুর্গাপুজোয় আমার খুব শখ হয়েছিল রং মিলিয়ে পোশাক পরব। ওকে বলাতেই খুব হেসেছিল। মনে হয়েছিল আমি বাচ্চাদের মতো আবদার করছি। যদিও পরে আমাকে খুশি করতে রংমিলান্তি পোশাকেই সেজেছিলাম আমরা। মজার ব্যাপার হল আমি না, ও-ই সকলকে ডেকে ডেকে দেখিয়েছিল সেটা।”

সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক বদলেছে, মানুষটি জীবন থেকে সরে গিয়েছেন, কিন্তু কিছু স্মৃতি এখনও রয়ে গিয়েছে একই রকম টাটকা।

নিজেকে সামলাতে একটা সময় দুবাইয়ে চাকরিও শুরু করেছিলেন এনা। সেখানে একটি সংস্থায় জনসংযোগ আধিকারিক হিসেবে কাজ করতেন। তবে পরে বুঝতে পারেন, নিয়মমাফিক আট ঘণ্টার চাকরি তাঁর জন্য নয়। শেষ পর্যন্ত সেই চাকরি ছেড়ে কলকাতায় ফিরে আসেন। নতুন করে শুরু করেন নিজের প্রযোজনা সংস্থার কাজ। সদ্য মুক্তি পেয়েছে তাঁর প্রযোজিত ছবি ‘ডাক্তার কাকু’। ঝুলিতে রয়েছে আরও দু’টি ছবি, আপাতত মুক্তির অপেক্ষায়।

এই প্রতিবেদনটি "আনন্দ উৎসব" ফিচারের একটি অংশ।

Ena Saha heartbroken Durgapuja Nostalgia

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy