Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

প্রিয়জনকে হারিয়ে পুজো বন্ধের সিদ্ধান্ত, হঠাৎই ‘অলৌকিক এক কাণ্ড’! মহালয়ার রাতে সুদীপার বাড়িতে কী এমন ঘটল?

কয়েক মাস আগেই বাড়িতে ঘটেছে অঘটন। ভেবেছিলেন পুজো বোধহয় হবেই না। কিন্তু 'রাখে হরি মারে কে'? হঠাৎই এক 'স্বপ্ন' আর তাতেই বদলে গেল গোটা চিত্রটা।

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৫:৪২
দেবী নিজে আসতে চান তাঁর বাড়িতে!

দেবী নিজে আসতে চান তাঁর বাড়িতে!

এ বছরের পুজোটা খানিক আলাদা অভিনেতা-সঞ্চালক সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। প্রতি বছর তাঁর বালিগঞ্জের বাড়িতে জাঁকজমকসহকারে অনুষ্ঠিত হয় দুর্গাপুজো। কয়েক মাস আগেই বাড়িতে ঘটেছে অঘটন। ভেবেছিলেন পুজো বোধহয় হবেই না। কিন্তু 'রাখে হরি মারে কে'? হঠাৎই এক 'স্বপ্ন' আর তাতেই বদলে গেল গোটা চিত্রটা।

আনন্দবাজার ডট কমকে সুদীপা বললেন, "এ বছর মনটা খুব খারাপ। অগ্নিদেবের নিজের দিদি, এই কয় মাস হল গত হয়েছেন। যাওয়ার বয়স নয় মোটেও। পাঁচ দিন আগে অবধিও ঠিক ছিল পুজো হবেই না। হলেও ঘটে হবে। কিন্তু কোথা থেকে যে কী হল...।"

কী হল? বলতে গিয়েই বারংবার শিহরিত হচ্ছিলেন সুদীপা। এমনিতে এই চট্টোপাধ্যায় বাড়ির পুজো ঘিরে নানা সময় নানা অলৌকিক কাণ্ডের কথা অতীতেও ভাগ করেছেন তিনি। এ বারেও খানিক যেন একই রকমের কাণ্ড। বহু বছর ধরে ওই বাড়িতে মাতৃমূর্তি গড়ছেন শিল্পী পশুপতি রুদ্রপাল। এ বছরও তেমনটাই ঠিক ছিল। তবে পুজো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতেই সে গুড়ে মিশেছিল বালি। অভিনেতার কথায়, "নিয়ম হল, যদি কাঠামো তৈরি হয়ে থাকে, তবে সেটা ভাঙা যায় না। বিশেষত শক্তির দেবী যাঁরা কালী বা মা দুর্গা তাঁদের কাঠামো তৈরি হওয়ার পর তা ভেঙে ফেলে পরবর্তীতে ওই মাটি দিয়ে অন্য ঠাকুর গড়া যায় না। মহালয়ার রাতে পশুপতিবাবু আমাকে মায়ের একটা ছবি পাঠালেন। চক্ষুদান হয়ে গিয়েছে। আমি বুঝিইনি এটা আমাদেরই ঠাকুর! মন এমনিতেই খারাপ, পুজো হবে না বলেই ধরেছিলাম। উনি ফোন করে বললেন, 'দিদিভাই এটা আপনাদেরই ঠাকুর কাল রাত্রে এমন এক স্বপ্ন দেখেছি যা হয়তো আপনাকে বিশ্বাস করাতে পারব না। ঘাটের কাছে পা, আপনার মেয়ে আপনার কাছেই আসতে চাইছে। আমার যা করার করে দিলাম। আপনি মেয়েকে ঘরে আনবেন নাকি আনবেন না নিজে দেখে নিন। আমি সংসারী মানুষ। আমাকে দিয়ে কোনও অন্যায় করাবেন না'।"

এরপর আর নিজেকে আটকে রাখতে পারেননি সুদীপা। বিয়ের পর থেকে সন্তানস্নেহে ঘরে নিয়ে আসেন যাঁকে তিনি নিজে আসতে চাইছেন! সুদীপার কথায়, "দেড় দিনে প্যান্ডেল হয়েছে। খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থাও সাড়া হয়েছে একদম শেষ মুহূর্তে। সে না চাইলে এইসব যে কিছুই হত না।"

অলৌকিক কাণ্ডের এখানেই শেষ নয়। সুদীপা জানান, দেবীর যা লাগবে তা যেন নিজেই চেয়ে নেন তিনি। কখনও 'ভয় দেখিয়ে' আবার কখনও বা অভিমান। বলছিলেন, "পঞ্চমীতে নিয়ে আসার পর কানে কানে বললাম, দিন দিন 'ভূত' হয়ে যাচ্ছ? ভয় দেখাচ্ছ কেন?" এমনটাই সহজ-সরল সম্পর্ক মা-মেয়ের। প্রতি বার সুদীপার বাড়ির পুজোয় দেখা মেলে টলিপাড়ার চেনামুখদের। এ বার আয়োজন তুলনায় খানিক কমলেও চিত্রটা একই থাকবে। আসতে পারেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মায়ের বেনারসী কেনার জন্য অর্থও পাঠিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। দেখা মিলতে পারে অঙ্কুশ হাজরা, সৃজিত মুখোপাধ্যায়দেরও। সব মিলিয়ে সেজে উঠেছে চট্টোপাধ্যায় বাড়ি। মা যে এসে গিয়েছেন।

এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।

Bonedi Barir Pujo Durga Puja

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy