কড়া নাড়ছে দুর্গাপুজো। হাতে সময় কম, অথচ নতুন পোশাক কেনা এখনও বাকি! কর্মব্যস্ততার চাপে অনেকেই সময় করে উঠতে পারেননি। তারই প্রমাণ মিলছে সপ্তাহান্তে দোকানে উপচে পড়া ভিড়ে। কিন্তু পুজোর মুখে কেনাকাটা করতে গেলে পছন্দের পোশাক পেলেই নিশ্চিন্ত হওয়ার উপায় নেই। মাপ, নকশা থেকে শুরু করে ডেলিভারি— নানা সমস্যায় পড়তে পারেন।
১। ট্রায়ালের জন্য লম্বা লাইন
পুজোর আগে দোকানে ভিড় বাড়ে। ফলে পছন্দের পোশাক পরে দেখার জন্য দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষা করতে হতে পারে। অনেক সময়ে আন্দাজেই পোশাক কিনতে হয়। পরে বাড়ি ফিরে মাপ বা নকশা নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
২। অল্টারেশনের সময় নেই
ব্লাউজ় বা প্যান্টের মাপে সামান্য পরিবর্তন প্রয়োজন হলেও পুজোর মুখে দর্জিদের কাছ থেকে সময়মতো পোশাক ফেরত পাওয়া কঠিন হতে পারে। ফলে পছন্দের পোশাক পরার পরিকল্পনাই ভেস্তে যেতে পারে।
৩। কাপড়ের মান নিয়ে সংশয়
তাড়াহুড়োয় কাপড়ের মান খুঁটিয়ে দেখা হয় না। আগে থেকে কিনলে ধুয়ে পরীক্ষা করার সুযোগ থাকে। শেষ মুহূর্তে কেনা পোশাক সরাসরি পরলে রং ওঠা বা ত্বকে অস্বস্তির মতো সমস্যা হতে পারে।
৪। অনলাইন ডেলিভারিতে দেরি
শেষ মুহূর্তে অনলাইনে পোশাক অর্ডার করলে সময়মতো হাতে না পাওয়ার ঝুঁকি থাকে। পুজো পেরিয়ে দশমীর দিন পোশাক পৌঁছোলে কেনাকাটার আনন্দই মাটি!
৫। বাজেট ছাড়াতে পারে
সময় কম থাকায় অন্য দোকানে দাম যাচাই করার সুযোগ মেলে না। ফলে একই ধরনের পোশাক কম দামে পাওয়া যেত কি না, তা না জেনেই বেশি খরচ করে ফেলতে পারেন।
শেষ মুহূর্তে কেনাকাটা করতে হলেও আগে থেকে বাজেট, মাপ এবং কোন দিনের জন্য কেমন পোশাক চাই, তা ঠিক করে নিন। কেনার আগে সেলাই, বোতাম ও চেন ভাল করে দেখে নিন। সম্ভব হলে পুজোর অন্তত দু’দিন আগে পোশাকটি পরে হাঁটাচলা করে দেখুন। কোথাও অসুবিধা হলে সময় থাকতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করিয়ে নেওয়া যাবে।
এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।