দীপাবলিতে বাজির ভয়, সাজে আপস নয়! সুতির এই পোশাকগুলিতেই হোক ফ্যাশনের বাজিমাত
সুতির কাপড়ও দাহ্য, তাই কোনও পোশাকই বাজির আগুন থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দেয় না। পোশাকের পাশাপাশি বাজি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাও জরুরি। ফ্যাশনের সঙ্গে সুরক্ষার মেলবন্ধন করতে চাইলে দীপাবলিতে এই ধরনের পোশাক বেছে নেওয়া যেতে পারে।
দীপাবলিতে বাজির ফুলকি থেকে সুরক্ষিত থাকতে সুতির পোশাক বেছে নেওয়া ভাল। কারণ, পলিয়েস্টার, নাইলন বা অন্যান্য সিন্থেটিক কাপড়ের তুলনায় সুতির কাপড়ে আগুন লাগলে কম তাড়াতাড়ি প্রসারিত হয়।
তবে সুতির কাপড়ও দাহ্য, তাই কোনও পোশাকই বাজির আগুন থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দেয় না। পোশাকের পাশাপাশি বাজি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাও জরুরি।
ফ্যাশনের সঙ্গে সুরক্ষার মেলবন্ধন করতে চাইলে দীপাবলিতে এই ধরনের পোশাক বেছে নেওয়া যেতে পারে।
সুতির স্ট্রেট-কাট কুর্তি ও প্যান্ট : এক রঙের কুর্তির সঙ্গে সুতির স্ট্রেট প্যান্ট এবং ইচ্ছে হলে সুতির হালকা ওড়না পরা যেতে পারে। ছোট ঝুমকো, জুতো আর একটি ঝোলা ব্যাগ সঙ্গে নিলে দীপাবলির সাজ হবে ফাটাফাটি।
আনারকলি চুড়িদার : ঘের যুক্ত সুতির আনারকলি চুড়িদার পরলে দীপাবলিতে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার ছোঁয়া একসঙ্গে থাকবে। মেরুন, সবুজ বা গাঢ় নীল রং বেছে নিতে পারেন। তবে খুব লম্বা বা ঝুলে থাকা চুড়িদার হলে এড়িয়ে চলুন।
আরও পড়ুন:
কুর্তি এবং পালাজো: আরামদায়ক অথচ উৎসবের লুকের জন্য পালাজোর সঙ্গে ছোট বা মাঝারি দৈর্ঘ্যের সুতির কুর্তি বা টপ পরতে পারেন।
শাড়ি: বাঙালি যেকোনও উৎসবে শাড়ি পরবেই। তবে দীপাবলিতে রাস্তায় ঠাকুর দেখতে বেরোলে অবশ্যই সুতির যেকোনও শাড়ি পরবেন। মলমল, খাদি বা ভাল সুতির শাড়ি পরাই শ্রেয়। সিল্ক বা সিন্থেটিক শাড়ি দীপাবলির সময় এড়িয়ে চলুন।
সুতির এ-লাইন জামা: আরামদায়ক ও হাঁটু থেকে পায়ের মাঝামাঝি দৈর্ঘ্যের এই জামা উৎসবে দেবে স্মার্ট লুক।
সুতির ধুতি প্যান্ট ও কুর্তি: দীপাবলিতে একটু অন্যরকম সাজ চাইলে ধুতি প্যান্টের সঙ্গে ছোট কুর্তি পরতে পারেন। ইন্দো-ওয়েস্টার্ন লুকের পাশাপাশি চলাফেরাতেও সুবিধা হবে।
আরও পড়ুন:
সুতির কো-অর্ড সেট: একই প্রিন্ট বা রঙের টপ ও ট্রাউজ়ার। জ্যামিতিক প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট বা ফ্লোরাল ডিজ়াইনের কো-অর্ড সেট পরতে পারেন এই দীপাবলিতে। এই প্রতিবেদনটি ' আনন্দ উৎসব ' ফিচারের একটি অংশ।