পুজোর শাড়ি কেনা হয়ে গিয়েছে, এ বার পালা ব্লাউজ়ের। শাড়ি যতই সুন্দর হোক, তার সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ় না হলে পুরো হিসেবটাই যে গোলমেলে হয়ে যায়। শুধু পছন্দের নকশা দেখলেই হবে না, ব্লাউজ় বানানোর আগে মাথার রাখতে বেশি কিছু জিনিস। ভিড়ের মাঝে আলাদা হন, অনুসরণ করুন এই ক'টি নিয়ম।
রং মিললেই কেল্লাফতে?
একটা সময় ছিল যখন শাড়ির সঙ্গে মিল খাইয়েই ব্লাউজ় পরা হত। যুগ বদলেছে। বদলেছে ফ্যাশনের ধরনও।
শাড়ির সঙ্গে একই রঙের ব্লাউজই পরতে হবে? একেবারেই নয়। হালকা রঙের শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজ় পরলে বৈপরীত্যে সাজ আরও চোখে পড়তে পারে। সাদা শাড়ির সঙ্গে কালো, নীলের সঙ্গে গোলাপি, এমন বিপরীত রঙের যুগলবন্দিও ভাল লাগে। তবে মনোক্রোম লুকও এখন বেশ চলছে। মানে বেগুনি রঙের শাড়ির সঙ্গে ওই একই রঙের ব্লাউজ় যদি বেছে নেন তবে সাজ হবে ছিমছাম।
মাপের ক্ষেত্রে ভুল নয়!
খুব আঁটসাঁট ব্লাউজ যেমন অস্বস্তিকর, তেমনই অতিরিক্ত ঢিলেঢালা ব্লাউজেও শরীরর গঠন ঠিকমতো ফুটে ওঠে না। নিজের শরীরের গড়ন অনুযায়ীবেছে নেওয়াও জরুরি। বোটনেক, ভি-নেক, ডিপ নেক নানা ধরনের ব্লাউজ় রয়েছে। আপনার উচ্চতা কম হলে ভি-নেক বাছুন। উচ্চতা বেশি হলে বোটনেক বা চওড়া নেকলাইন বেছে নিতে পারেন। এতে শরীরের লম্বাটে গড়ন কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ দেখায়।
শাড়ি ভারী হলে ব্লাউজ হালকা
শাড়িতে যদি ইতিমধ্যেই বেশি কারুকার্য থাকে ব্লাউজ় বাছুন হালকা। আবার সাধারণ শাড়ির সঙ্গে একটু নজরকাড়া ব্লাউজ দিয়েই বদলে দেওয়া যায় গোটা লুক।
হাতার কথা মাথায় থাকুক
ব্লাউজের হাতা বাছার সময় শাড়ির ধরন এবং নিজের স্বচ্ছন্দ দুটোই মাথায় রাখুন। শুধু নকশা পছন্দ হয়েছে বলেই এমন হাতা বাছবেন না, যাতে পরে অস্বস্তি হয়। হাত ছোট হলে কনুই পর্যন্ত হাতা, আর হাত লম্বা হলে ছোট বা চওড়া হাতার ব্লাউজ় বেছে নিতে পারেন।
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।