খিচুড়ি-নাড়ু তো থাকবেই, কিন্তু লক্ষ্মীর প্রিয় মিষ্টি কী বলুন তো? পুজোর ভোগে বাড়িতেই বানান ঠিক এই ভাবে
জানেন কি মা লক্ষ্মীর রয়েছে এক পছন্দের মিষ্টি। এই মিষ্টি খাইয়ে তাঁর মানভঞ্জন করেছিলেন খোদ নারায়ণ। বানানো খুব একটা কঠিন নয়।
বাঙালির ঘরের মেয়ে মা লক্ষ্মী। পূর্ণিমা তিথিতে আকাশে যখন গোল চাঁদ, প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী সে দিনই মর্ত্যে আসেন তিনি। ঘুরেফিরে দেখেন হালহকিকত।
আবার কখনও বা প্রবেশ করেন ভক্তদের ঘরেও। ঘটা করে এ দিন বাঙালি বাড়িতে আয়োজিত হয় নানা ধরনের বাহারি পদ।
লুচি-সুজি থেকে খিচুড়ি, মোয়া, নাড়ু সে এক এলাহি আয়োজন। তবে জানেন কি মা লক্ষ্মীর রয়েছে এক পছন্দের মিষ্টি।
যা পুজোর ভোগে থাকলে তিনি নাকি বিশেষ খুশি হন। এ বারের লক্ষ্মীপুজোয় বাড়িতে বানাবেন নাকি সেই মিষ্টি? কী বা নাম তার?
আরও পড়ুন:
সেই মিষ্টির নাম হল লক্ষ্মীবিলাস। এই মিষ্টি খাইয়ে তাঁর মানভঞ্জন করেছিলেন খোদ নারায়ণ। বানানো খুব একটা কঠিন নয়।
নিয়ে নিন চার কাপ ময়দা, ২ কাপ নারকেল কোরা, ৬০ গ্রাম খোয়া ক্ষীর। দুধ নিন দুই কাপ, সঙ্গে এক টেবিল চামচ এলাচ গুঁড়ো, এক কাপ পাটালি গুড়, মধু এক কাপ, সাদা তেল বা ঘি প্রয়োজন মতো।
প্রথমে একটা বড় জায়গায় ময়দা, নারকেল কোরা, খোয়া ক্ষীর, এলাচ গুঁড়ো, পাটালি গুড় আর মধু এক সঙ্গে ভাল করে মেখে নিতে হবে।
সবকিছু একসাথে মিশে গেলে অল্প অল্প করে দুধ মিশিয়ে মাখতে থাকুন যতক্ষণ না একটা থকথকে মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এক সঙ্গে সব দুধ দিয়ে দেবেন না, মিশ্রণ পাতলা হয়ে যেতে পারে। দুধ কিন্তু আগের থেকে ফুটিয়ে রাখতে হবে। এ বার এই রান্নার দ্বিতীয় ধাপ।
কড়াইতে সাদা তেল বা ঘি দিয়ে দিন। মাথায় রাখবেন ডুবো তেলে ভাজতে হবে তাই কার্পণ্য করবেন না।
তেল বা ঘি গরম হতে দিয়ে মিশ্রণটি ভাল করে ফেটিয়ে নিন। ভাল করে ফেটালে লক্ষ্মী বিলাস নরম হবে আর ফুলে উঠবে।
ভাল মত গরম হয়ে গেলে একটা মাঝারি মাপের হাতা দিয়ে তেলে মিশ্রণ দিয়ে দিন । ঠিক যে ভাবে মালপোয়া ভাজেন তেমন করে ভাজলেই হবে।
বেশ কিছুক্ষণ ভাজার পর তা নামিয়ে নিলেই তৈরি লক্ষ্মীদেবীর প্রিয় মিষ্টি। মা লক্ষীর ভোগে হোক বা অতিথি আপ্যায়নে এই লক্ষ্মী বিলাসেই শুভ হোক আসন্ন কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমা। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)