উৎসবের দিনে পেটপুজোয় রোলেই বাজিমাত, দক্ষিণ কলকাতার কোন দোকানে পাবেন সেরা স্বাদ?
উৎসবের মরসুমে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া হবে, আর রোল থাকবে না, তা কি হয়! চিকেন, মটন থেকে ফিশ টিকিয়া, নানা স্বাদের রোলের সন্ধান মিলবে দক্ষিণ কলকাতার একাধিক দোকানে। রইল তেমনই ১০টি ঠিকানা।
নিজামের কাঠি রোল: কলকাতার বিখ্যাত কাঠি রোলের কথা উঠলে প্রথমেই মনে পড়ে নিজামের নাম। স্বাধীনতার আগের সময় থেকেই জনপ্রিয় এই দোকানের চিকেন ও মটন কবাবের রোলের স্বাদ আজও রোলপ্রেমীদের টানে।
আর্সালান: বিরিয়ানির জন্য বিখ্যাত আর্সালানের রোলও চেখে দেখতে পারেন। ডবল মটন এগ রোল, চিকেন রোল, এগ চিকেন রোল কিংবা এগ মটন রোল—পছন্দের স্বাদ বেছে নেওয়ার একাধিক বিকল্প রয়েছে এখানে।
বেদুইন: গড়িয়াহাট রোডের পুরনো দোকান বেদুইনের বিশেষ আকর্ষণ ফিশ টিকিয়া রোল। তবে মাছের রোলের পাশাপাশি চিকেন ও মটন রোলও রয়েছে মেনুতে। মাছ হোক বা মাংস, পছন্দের পুরে পেটপুজোর ঠিকানা হতে পারে এই দোকান।
হট কাঠি রোল: পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রোলের দোকান হট কাঠি রোলে মিলবে চিকেন, মটন এগ, ডবল চিকেন ও ডবল মটনের মতো নানা বিকল্প। যাঁরা রোলে একটু বেশি পুর পছন্দ করেন, তাঁদের জন্যও রয়েছে পছন্দসই পদ।
করিমস্: বিরিয়ানি ও মোগলাই খাবারের জন্য পরিচিত করিমস্-এর কাঠি রোলও চেখে দেখতে পারেন। মোগলাই স্বাদের টানে যাঁরা এই দোকানে যান, তাঁদের খাবারের তালিকায় রোলও জায়গা করে নিতে পারে।
আরও পড়ুন:
ক্যাম্পারি:রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ে গড়িয়াহাট মোড়ের কাছে অবস্থিত ক্যাম্পারি মূলত রোলের জন্যই পরিচিত। নানা ধরনের রোলের বিকল্প থাকায় নিজের পছন্দমতো পদ বেছে নিতে পারেন এখান থেকে।
নবাব: গড়িয়াহাট মোড়ের নবাবেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের রোলের সম্ভার। ঠাকুর দেখা কিংবা কেনাকাটার ফাঁকে দক্ষিণ কলকাতায় রোল খেতে চাইলে এই দোকানটিকে রাখতে পারেন তালিকায়। দামও মধ্যবিত্তের আয়ত্তে।
অনামিকা রোল সেন্টার: নিউ আলিপুরের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী রোলের দোকান অনামিকা রোল সেন্টার। নানা ধরনের রোলের জন্য পরিচিত এই দোকানে পছন্দমতো পদ বেছে নিয়ে সেরে নিতে পারেন উৎসবের পেটপুজো।
রোল ইট আউট:পার্ক স্ট্রিট অঞ্চলের ছোট্ট ক্যাফে রোল ইট আউটে মিলবে বিভিন্ন ধরনের রোল। শহরের ব্যস্ত এলাকায় ঘোরাঘুরি কিংবা আড্ডার ফাঁকে রোল খেতে চাইলে এই ঠিকানাটিও রাখতে পারেন তালিকায়।
আরও পড়ুন:
জয় হিন্দ ধাবা: ভবানীপুরের জয় হিন্দ ধাবায় মিলবে নানা ধরনের রোল। চিকেন হোক বা মটন, পছন্দের স্বাদে রোল খেতে উৎসবের মরসুমে ঘুরে আসতে পারেন এই পরিচিত ঠিকানায়। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।