বাড়ির এই অন্ধকার কোণেই লুকিয়ে অশুভ শক্তি! ভূত চতুর্দশীর আগে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?
বাড়ির এমন কিছু জায়গাও রয়েছে, যেখানে পৌঁছয় না প্রদীপের আলো। দীর্ঘদিন পড়ে থাকে অন্ধকার, অপরিচ্ছন্ন এবং অব্যবহৃত অবস্থায়। বাস্তুশাস্ত্র মতে, এই সমস্ত জায়গাতেই বাড়তে পারে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব।
ভূত চতুর্দশীর আবহে ঘরে ১৪ প্রদীপ জ্বালানোর রীতি আজকের নয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এ দিন অশুভ শক্তির প্রভাবকে ঠেকাতে এবং প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ করতেই বাড়িতে জ্বালানো হয় প্রদীপ। কিন্তু তাতেই কি দায়িত্ব শেষ? (ছবিটি এআই -এর সহায়তায় তৈরি।)
বাড়ির এমন কিছু জায়গাও রয়েছে, যেখানে পৌঁছয় না প্রদীপের আলো। দীর্ঘদিন পড়ে থাকে অন্ধকার, অপরিচ্ছন্ন এবং অব্যবহৃত অবস্থায়। বাস্তুশাস্ত্র মতে, এই সমস্ত জায়গাতেই বাড়তে পারে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব। ভূতেদের মর্ত্যে আগমনের আগে এক বার চোখ বুলিয়ে নিন এই সমস্ত জায়গাগুলিতেই।
বাড়ির সিঁড়ির নীচের অংশ অনেক সময়েই ব্যবহৃত হয় ‘স্টোররুম’ হিসেবে। পুরনো জুতো থেকে অপরিছন্ন বা ভেঙে যাওয়া আসবাব, সবের জায়গা সেখানেই।
বাস্তু বলে, এই জায়গা কখনও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রাখা উচিত নয়। ভূত চতুর্দশীর আগে সিঁড়ির নীচের অংশ পরিষ্কার করুন। অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সরিয়ে সেখানে আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করা গেলে ভাল।
বহু বাড়িতেই এমন ঘর রয়েছে, যেখানে বছরের পর বছর কারও আনাগোনা নেই। তালাবন্ধ দরজার আড়ালেই জমছে ধুলো, ময়লা এবং কীটপতঙ্গ। এমন ঘর, পরিবারের ইতিবাচক পরিবেশের পক্ষে মোটেই ভাল নয়। দীপাবলির আগে তাকে পরিষ্কার করুন। আর নিয়মিত ব্যবস্থা রাখুন আলো-বাতাস চলাচলের।
আরও পড়ুন:
বাস্তুবিদেরা মনে করেন, বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিক অর্থাৎ ঈশান কোণ অত্যন্ত শুভ। এই জায়গাটি অপ্রয়োজনীয় জিনিসমুক্ত রাখাই শ্রেয়।
পরিবর্তে রাখতে পারেন সুন্দর সাজসজ্জার সামগ্রী। অথবা ছোট কোনও গাছ রাখাও বেশ শুভ সেখানে। প্রাণবন্ত সবুজ গাছ বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি বয়ে আনবে।
স্নানঘরের পিছনের দিকেও একই ভাবে নজর দেওয়া জরুরি। দিনের পর দিন জল জমেও সেখানে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে। ছড়াতে পারে দুর্গন্ধ ও ছত্রাক। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এই সমস্ত জায়গা অপরিষ্কার রাখা শুভ নয়।
বাস্তুশাস্ত্র বলে, বাড়ির মূল প্রবেশদ্বার দিয়েই সমস্ত ইতিবাচক শক্তির আগমন ঘটে। এই জায়গাটি আলোকিত এবং যথাসাধ্য পরিষ্কার রাখা উচিত।
আরও পড়ুন:
কাজেই দরজার সামনে অবাঞ্ছিত আসবাব, পুরনো জুতো, ভাঙা টব এবং আবর্জনা জমিয়ে না রাখাই শ্রেয়। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)