আপনার কাছে উৎসব, পোষ্যের কাছে বিভীষিকা! দীপাবলিতে বাজির শব্দে ভয় পেলে কী করবেন?
আলোর উৎসবে আনন্দ করছেন আপনি কিন্তু আপনার বাড়ির চার পেয়ে সদস্য ভয়ে কাতর। তার ভয়ে এড়াতে করতে পারেন এই কাজগুলি-
দীপাবলি বা কালীপুজোর সময় বাজির আওয়াজ থেকে দূরে রাখতে কুকুর-বিড়ালকে বা আপনার যেকোনও পোষ্যকে ঘরের ভিতরে নিরাপদ জায়গায় রাখুন।
শব্দবাজির আওয়াজ কমাতে বা শব্দবাজির আওয়াজের প্রভাব কমাতে জানলা-দরজা বন্ধ রাখুন। পর্দা টেনে দিলে বাইরের আলো ও ঝলকানি থেকেও পোষ্য আরও কিছুটা স্বস্তি পাবে।
বাড়ির শান্ত কোনও কোণে পোষ্যের পরিচিত বিছানা, কম্বল ও খেলনা রাখুন, যাতে ভয় পেলে সেখানে গিয়ে আশ্রয় নিতে পারে।
দীপাবলি বা কালীপুজোর সময় পোষ্যকে বাড়িতে একা ফেলে যাবেন না। অন্তত সন্ধ্যের পর বাড়িতে কেউ থাকুন। পরিচিত মানুষের সঙ্গ পেলে অনেক পোষ্যই তুলনামূলক নিরাপদ বোধ করে।
বাইরে থেকে আসা শব্দবাজির বিকট শব্দ কিছুটা ঢাকতে কম আওয়াজে টিভি বা শান্ত সুরের গান চালাতে পারেন।
আরও পড়ুন:
পোষ্যের সামনে বা কাছাকাছি কখনও বাজি ফাটাবেন না। বাজির ফুলকি, ধোঁয়া ও গরম ছাই থেকে পোষ্যকে দূরে রাখুন।
দীপাবলীর সময় পোষ্যকে বাইরে হাঁটতে নিয়ে যাওয়া এড়িয়ে চলুন। ছাদে কিংবা উঠোনেও নিয়ে যাবেন না। একান্ত প্রয়োজন হলে সকাল বেলা শান্ত সময়ে, লিশ ও সুরক্ষিত হারনেস ব্যবহার করে বাইরে নিয়ে যান।
পোষ্য ভয় পেলে ধমক দেবেন না। কাঁপা, লুকিয়ে পড়া, হাঁপানো বা অস্থির হয়ে ওঠা ভয়ের লক্ষণ হতে পারে। বকাঝকা না করে শান্ত স্বরে কথা বলুন এবং পোষ্যকে নিজের মত নিরাপদ জায়গা বেছে নিতে দিন।
দীপাবলির সময় অতিরিক্ত বাজির আওয়াজে পোষ্য ভয় পাবেই। পোষ্য কাছে এলে আলতো করে আদর করুন। কিন্তু ভয়ে লুকিয়ে থাকলে জোর করে টেনে বের করবেন না।
আরও পড়ুন:
দীর্ঘক্ষণ হাঁপানো, অতিরিক্ত লালা ঝরা, আঘাত পাওয়া বা অস্বাভাবিক আচরণ দেখা দিলে পশুচিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ দেবেন না বা কোনও পদক্ষেপ নেবেন না। এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।