দীপাবলির আগে বাড়িতে ভুলেও আনবেন না এই রঙের জিনিস! রাহু-কেতুর কোপে সংসারে তছনছ হতে পারে
দীপাবলির আগে কেবল ঘর সাজালেই হয় না, মেনে চলতে হয় বাস্তুতন্ত্রও। মানা হয়, সামান্য ভুলেই নাকি রুষ্ট হতে পারেন ঘরে লক্ষ্মী। কাজেই গৃহে সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে চাইলে মেনে চলতে পারেন সহজ কিছু উপায়।
সামনেই আলোর উৎসব। বিজয়া দশমীর রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে তোরজোড় শুরু দীপাবলির। ঘর পরিষ্কার থেকে শুরু করে অন্দরসজ্জা, তালিকা মেনে চলছে সবটাই। কিন্তু তা সঠিকভাবে হচ্ছে কি?
দীপাবলির আগে কেবল ঘর সাজালেই হয় না, মেনে চলতে হয় বাস্তুতন্ত্রও। মানা হয়, সামান্য ভুলেই নাকি রুষ্ট হতে পারেন ঘরে লক্ষ্মী। কাজেই গৃহে সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে চাইলে মেনে চলতে পারেন সহজ কিছু উপায়।
দীপাবলি আলোর উৎসব। বিশ্বাস করা হয়, এই দিন বাড়ির কোথাও অন্ধকার রাখা উচিত নয়। ঘরে কোণে আলো না জ্বালালে নাকি রুষ্ট হন দেবী লক্ষ্মী। এমনকি মুখ ফিরিয়ে নেন সিদ্ধিদাতাও।
এ ক্ষেত্রে জেনে রাখা উচিত ঘরে কোন দিকে রঙিন আলো ব্যবহার করা শুভ। বাস্তু বলছে, বাড়ির পূর্ব দিকে লাল, হলুদ অথবা কমলা রঙের বাতি বেছে নিতে পারেন।
পশ্চিম দিকের জন্য তোলা থাক গোলাপি রং। বাড়ির উত্তর দিকে দিতে পারেন নীল, হলুদ বা সবুজ আলো। দক্ষিণ দিকের জন্য বেছে নিন সাদা, বেগুনি বা লাল রং।
আরও পড়ুন:
বাস্তু মতে কালো রংকে অশুভ বলে গণ্য করা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, দীপাবলির আগে কালো রঙের কাপড় বা অন্য কোনও বস্তু বাড়িতে না নিয়ে আসাই শ্রেয়। এটিকে দুর্ভাগ্যের প্রতীক হিসেবেও মানা হয়, যা ডেকে আনতে পারে শনিদেবের নেতিবাচক প্রভাব।
দীপাবলির আগে ঘরে রং বদলাতে চাইলে একবার চোখ বুলিয়ে নিতেই পারেন বাস্তুতন্ত্রে। প্রধান দরজার সামনের ঘরের রং সর্বদা সাদা, হালকা সবুজ বা গোলাপি করাই শুভ বলে মনে করেন বাস্তুবিদরা। গোলাপী, সবুজ বা নীল রং শোয়ার ঘরের জন্য উপযুক্ত।
দীপাবলির আমেজে অন্য মাত্রা যোগ করে ধনতেরস। এই দিন সোনা বা অন্যান্য মূল্যবান যে কোনও সামগ্রী কিনলেও লোহার সামগ্রী এড়িয়ে যাওয়াই শ্রেয়। কারণ, লোহার সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে রাহু ও কেতুর সঙ্গে, এমনটাই বিশ্বাস।
পাশাপাশি দীপাবলির আগে নতুন দ্রব্য বাড়িতে যেমন আনছেন, তেমনই বাড়ি থেকে দূর করুন পুরনো এবং ভাঙা আসবাব।
আরও পড়ুন:
বাস্তু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাড়িতে এই ধরনের জিনিস দিনের পর দিন জমতে থাকলে বাড়তে থাকে বাস্তুদোষও। যা সুখ ও সমৃদ্ধির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)