বাজির ধোঁয়ায় নাজেহাল? দীপাবলিতে ফুসফুসের সুরক্ষায় কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন?
বাজির ধোঁয়ার কষ্ট হচ্ছে! দীপাবলিতে কীভাবে নিজের এই কষ্ট সাময়িক লাঘব করবেন? ভেবেছেন কী রইল ১০ টি সাধারণ উপায় —
দীপাবলির সময় চারিদিকে যে পরিমাণে বাজি ফাটে সেই ধোঁয়ায় কষ্ট হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। আর বর্তমানে উপরি সমস্যা দূষণ।
দীপাবলিতে ধোঁয়ায় কষ্ট হলে কী করবেন ভেবেছেন? সাময়িক আরাম পেতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি।
বাজি ফাটানোর সময় টানা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। বাজি ফাটানোর জায়গায় থাকলেও খানিকক্ষণ পরে সেখান থেকে চলে এসে ঘরে খানিকক্ষণ নিশ্বাস প্রশ্বাস নিয়ে তার পর আবার সেই জায়গায় যাবেন। তাহলে কষ্ট কম হবে।
দীপাবলির সময় সন্ধের পর বাড়ির জানালা দরজা বন্ধ করে রাখবেন। জানলা দরজা যত খোলা রাখবেন তত বাইরের দূষিত বাতাস ঘরে প্রবেশ করবে এবং শ্বাসকষ্ট বাড়বে।
দীপাবলির রাতে বেরোলে অবশ্যই পাতলা মাস্ক ব্যবহার করবেন তা হলে ধোঁয়ায় কষ্ট অনেকটা কমবে।
আরও পড়ুন:
মাস্ক ব্যবহার করতে সমস্যা হলে একটা পাতলা সুতির কাপড় নাকে মুখে জড়িয়ে বেরোবেন। অথবা বাজি ফাটানোর সময়ও একটা পাতলা কাপড় নাকে মুখে বেঁধে নেবেন।
দীপাবলির সময় অতিরিক্ত বাইরে হাঁটা, দৌড়নো বা ভারী ব্যায়াম করবেন না। শারীরিক পরিশ্রমে বেশি দূষিত বাতাস ফুসফুসে তাড়াতাড়ি প্রবেশ করতে পারে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করতে হবে এই সময়। জল পানে কোন ঘাটতি রাখা চলবে না।
বাজির ধোঁয়ার পাশাপাশি সিগারেট, ধূপ, মশার কয়েল ও অন্যান্য ধোঁয়ার সংস্পর্শ থেকেও দূরে থাকুন। যেকোনও ধোঁয়ায় কষ্ট বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
ডাক্তারের পরামর্শ করা নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ বা ইনহেলার থাকলে সেটা ব্যবহার করবেন অবশ্যই।
ধোঁয়ার সংস্পর্শ থেকে সরে গিয়ে পরিষ্কার বাতাস যুক্ত ঘরে বিশ্রাম নিন।
শ্বাসকষ্ট বা শরীরে কোনও অস্বাভাবিক অসুবিধা ফেলে দেওয়ার জিনিস নয়। তাই খুব সতর্ক থাকুন। শরীরে কোনওরকম কোনও সমস্যা হলে ফেলে রাখবেন না সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের কাছে যাবেন। উপরে উক্ত টোটকা গুলি একদম প্রাথমিক এবং ঘরোয়া টোটকা। যে সমস্ত ব্যক্তিদের শ্বাসজনিত বিশেষ রোগ আছে তারা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে দীপাবলীর সময় চলবেন। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।