আলোর উৎসবে এই সব রঙের টুনি লাগাচ্ছেন? সুখের সংসারে চুপিসারে ‘অলক্ষ্মী’র প্রবেশ ঘটছে না তো?
নির্দিষ্ট রঙের আলো অশুভ শক্তিকে আকর্ষণ করে, এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবু ওই যে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু। কোন রঙের টুনি বা ঝলমলে আলো এড়িয়ে যাওয়াই ভাল?
আলোর উৎসব দীপাবলিতে সারা বাড়ি টুনি লাইট দিয়ে সাজিয়ে তোলার চল এখন সর্বত্র। তবে এই দিনে কোন রঙের টুনি আলো অশুভ শক্তিকে আকর্ষণ করতে পারে, তা নিয়ে রয়েছে নানা রকম লোকবিশ্বাস ও বাস্তুসংক্রান্ত ধারণা।
নির্দিষ্ট রঙের আলো অশুভ শক্তিকে আকর্ষণ করে, এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবু ওই যে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু। কোন রঙের টুনি বা ঝলমলে আলো এড়িয়ে যাওয়াই ভাল?
কালচে বা অতিরিক্ত ম্লান আলো: লোকবিশ্বাসে অন্ধকারকে নেতিবাচকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
তাই বাড়ির কোণগুলি অন্ধকার করে না রেখে আলোকিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
গাঢ় লাল আলো: কিছু বাস্তুসংক্রান্ত ধারণায় লাল রং অতিরিক্ত উত্তেজনা ও তীব্রতার প্রতীক।
আরও পড়ুন:
কিছু বাস্তুসংক্রান্ত ধারণায় কড়া লাল রংকে আগ্রাসন ও অস্থিরতার প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়
গাঢ় বেগুনি আলো: বারবার জ্বলে-নেভে এমন চঞ্চল আলো এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। বাস্তুমতে এটি ঘরের শান্ত পরিবেশ নষ্ট করে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানও বলছে, অতিরিক্ত ফ্লিকারিং লাইট অনেকের ক্ষেত্রে মাইগ্রেন ও চোখের অস্বস্তির কারণ হয়।
বাস্তুশাস্ত্রমতে, হলুদ বা ঈষৎ সোনালি আলো সবচেয়ে শুভ। এটি ইতিবাচক শক্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক। কালার সাইকোলজিতেও এই 'ওয়ার্ম' আলো মনকে শান্ত ও উষ্ণ অনুভূতি দেয়।
আরও পড়ুন:
সোনালি আলো বৃহস্পতি ও সূর্যের প্রতীক। বাস্তু নিয়ম বলে, সদর দরজার আলো যেন বাইরে থেকে ভেতরে আসা পথটিকে উজ্জ্বল করে, অতিথির চোখে অস্বস্তির কারণ হলে তাতে গৃহস্থরই অকল্যাণ। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।