শুধু কে-পপ নয়, কোরিয়ান ভূতও বেশ জনপ্রিয়: জানেন তারা কারা?
দক্ষিণ কোরিয়ার অলিগলি, স্কুল, হাসপাতাল, লিফট নিয়ে রয়েছে অজস্র ভৌতিক লোককথা। কোরিয়ান সংস্কৃতিতে মানুষ বিশ্বাসও করেন তাঁদের। বাস্তব ও কল্পনার মিশেলে তৈরি সেই ভয়ঙ্কর জগৎ।
দক্ষিণ কোরিয়া। প্রযুক্তি থেকে ফ্যাশন কিংবা বিনোদন— সবেতেই আপাদমস্তক আধুনিক। জেন জ়ি-দের মধ্যেও দক্ষিণ কোরিয়া নিয়ে উন্মাদনার শেষ নেই। দক্ষিণ কোরিয়া মানেই কে-পপ, কে-ড্রামা কিংবা ঝলমলে শহুরে জীবন নয়।
সে দেশের অলিগলি, স্কুল, হাসপাতাল, লিফট— সব নিয়েই রয়েছে অজস্র ভৌতিক লোককথা, যার শিকড় সুদূর অতীতে নয়, বরং সমকালীন সময়েই গাঁথা। জেনে নিন বেশ কিছু আধুনিক কোরিয়ান আতঙ্কের হালহদিশ।
ভার্জিন ঘোস্ট: কোরিয়ার সবচেয়ে পরিচিত ভূত এই ভার্জিন ঘোস্ট। লোকে বলে, বিয়ের আগেই যে সব তরুণীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের আত্মা নাকি সাদা পোশাকে এলো চুলে ঘুরে বেড়ায়।
দ্য ফোর্থ ফ্লোর: কোরিয়ার বহুতলে চার নম্বর তলাকে 'F' দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। কারণ, এই চার সংখ্যাটির উচ্চারণ মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত। সেই সংখ্যা ঘিরেই তৈরি হয়েছে নানা কাহিনি।
রেড মাস্ক ঘোস্ট: এ হল মুখে লাল মাস্ক পরা এক রহস্যময়ী নারী। পথ আটকে সে প্রশ্ন করে। ভুল উত্তর দিলেও বিপদ, সঠিক উত্তর দিলেও রেহাই নেই।
আরও পড়ুন:
ফ্যান ডেথ: বন্ধ ঘরে পাখা চালিয়ে ঘুমোলে হতে পারে মৃত্যুও! দক্ষিণ কোরিয়ায় এক সময়ে এই বিশ্বাস ছিল বহুলপ্রচলিত। বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তি না থাকলেও এটি কোরিয়ার পরিচিত ভয়।
হন্টেড স্কুল: রাতের স্কুল, ফাঁকা করিডর আর বন্ধ ক্লাসরুমে ঘোরেফেরে অদৃশ্য অবয়ব। কোরিয়ান সংস্কৃতিতে এই বিশ্বাস রীতিমতো জাঁকিয়ে বসে আছে। পরীক্ষার চাপ ও স্কুলজীবনের আতঙ্কেও মিশে থাকে সেই সব গল্প।
অ্যাবানডন্ড হসপিটাল ভূত: পরিত্যক্ত হাসপাতাল মানেই অজানা আতঙ্ক। কোরিয়ার গনজিয়াম মানসিক হাসপাতালকে ঘিরে তাই ছড়িয়েছে হরেক রকম ভূতের গল্প।
এলিভেটর উইমেন: রাতের নির্জন লিফটে এক অচেনা নারীর সঙ্গে দেখা। তিনি যে তলায় নামেন, সেখানে নাকি কোনও দরজা নেই! কোরিয়ায় এলিভেটর উইমেনের গল্প মুখে মুখে ফেরে।
আরও পড়ুন:
দ্য রেড শু: কোরিয়ান সংস্কৃতিতে লাল জুতোও অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। অন্ধকারে হঠাৎ লাল রঙের জুতোর দেখা পাওয়াকে অমঙ্গল বলেই মনে করা হয়।
এটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ