মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হবেন না যেন! আজই ঘর থেকে সরান এই জিনিসগুলি
ঘরের জানলা বা দরজার কাচ ভেঙে গেলে তা ঘর থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। কারণ প্রাচীন কাল থেকেই বিশ্বাস করা হয়, ভাঙা কাচ গৃহস্থ বাড়িতে অশুভ শক্তি ডেকে আনে।
সামনেই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। পুরাণ মতে মনে করা হয়, দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদে আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে সুখ ও সমৃদ্ধি। কিন্তু তার জন্য মেনে চলতে হবে বেশ কিছু নিয়ম। তাই আজই আপনার ঘর থেকে সরিয়ে ফেলুন এই সমস্ত জিনিসপত্র।
বাস্তু মতে, ঘরে কখনওই ভাঙা বা খারাপ হয়ে যাওয়া ঘড়ি রাখা উচিত নয়। এতে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থেকে আপনি বঞ্চিত হতে পারেন বলে বিশ্বাস করা হয় প্রাচীন কাল থেকে।
ঘরে রাখা যাবে না ভাঙা আসবাব। ভেঙে যাওয়া টেবিল, চেয়ার ও আলমারি রেখে দেওয়া উচিত নয়। এতে নেতিবাচক শক্তির আনাগোনা বাড়ে বলে মনে করা হয় জ্যোতিষ শাস্ত্রে।
আরও পড়ুন:
ঘরে ভাঙা বাসনপত্র রাখা উচিত নয়। প্রাচীন কাল থেকেই সমাজে এই বিশ্বাস প্রচলিত যে, ভাঙা বাসনপত্র দুর্ভাগ্য বয়ে আনতে পারে। এ ছাড়াও এ সব জিনিস শুভ শক্তির আগমনে বাধা দিতে পারে বলে জ্যোতিষ মতে মনে করা হয়।
আরও পড়ুন:
ঘরের জানলা বা দরজার কাচ ভেঙে গেলে তা ঘর থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। কারণ প্রাচীন কাল থেকেই বিশ্বাস করা হয়, ভাঙা কাচ গৃহস্থ বাড়িতে অশুভ শক্তি ডেকে আনে।
এ ছাড়াও ঘরে ভাঙা টিউব লাইট, বাল্ব রাখা উচিত নয়। প্রচলিত বিশ্বাস বলে, এর দরুণ ঘরে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব পড়ে। তাই লক্ষ্মী পুজোর আগেই তা ঘর থেকে সরিয়ে দিন।
ছেঁড়া চপ্পল, জুতো বাড়ির বাইরে ফেলে দিন। এর কারণেও বাড়িতে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বাড়ে। অন্তত তেমনটাই বাস্তু মতে মনে করা হয়ে থাকে।
উপরে উল্লিখিত জিনিসগুলি ভাল অবস্থায় রাখা উচিত। নষ্ট হয়ে গেলে তা ফেলে দেওয়াই বাঞ্ছনীয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, নষ্ট হয়ে যাওয়া জিনিসপত্র রেখে দিলে সংসারে দারিদ্র্য বাড়ে।
আরও পড়ুন:
প্রাচীন কাল থেকেই হিন্দু ধর্মে প্রচলিত বিশ্বাস— ঘর সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। এতে নাকি মা লক্ষ্মী গৃহে বসত করেন। তাই এই লক্ষ্মী পুজোর আগেই ঘরদোর ভাল করে সাফ করুন।
দইকে অনেক ক্ষেত্রে শুভ বলে মনে করা হয়। তবে রাতে মহিলাদের দই খাওয়া একেবারে উচিত নয় বলেই মত জ্যোতিষ শাস্ত্রের। এমনও বিশ্বাস করা হয় যে, রাতে দই খেলে মহিলারা নাকি দেবীর কৃপা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)