Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

রাজপ্রাসাদের ঘর-বারান্দায় আজও উঁকি দেয় ইতিহাস, কালীপুজোর আগে দিন কয়েক কাটুক কোচবিহারে

কলকাতা থেকে বেশি দূরে নয়। রাজকীয় ইতিহাস থেকে জংলা সফরের স্বাদ— কোচবিহারে আপনার অপেক্ষায় সবই। কালীপুজোর আগে টুক করে ঘুরে আসবেন নাকি?

শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:১৬
পুজো-লক্ষ্মীপুজো মিটে গেলে অনেকেই গুটিগুটি বেরিয়ে পড়েন বেড়াতে। লাগাতার হুল্লোড়-পরিশ্রম পেরিয়ে ক্লান্ত শরীরে যাঁদের বেশি দূর যেতে ইচ্ছে করে না, তাঁরা ভাবতেই পারেন কোচবিহারের কথা।
০১ / ১২

পুজো-লক্ষ্মীপুজো মিটে গেলে অনেকেই গুটিগুটি বেরিয়ে পড়েন বেড়াতে। লাগাতার হুল্লোড়-পরিশ্রম পেরিয়ে ক্লান্ত শরীরে যাঁদের বেশি দূর যেতে ইচ্ছে করে না, তাঁরা ভাবতেই পারেন কোচবিহারের কথা।

কলকাতা থেকে রাতের ট্রেনে উঠে সকালে পৌঁছে যাবেন এমন এক শহরে, যেখানে বেড়ানোর অনেক জায়গাই আছে। অথচ কোনও কিছু দেখার জন্যই বিশেষ তাড়াহুড়ো করতে হয় না।
০২ / ১২

কলকাতা থেকে রাতের ট্রেনে উঠে সকালে পৌঁছে যাবেন এমন এক শহরে, যেখানে বেড়ানোর অনেক জায়গাই আছে। অথচ কোনও কিছু দেখার জন্যই বিশেষ তাড়াহুড়ো করতে হয় না।

কোচবিহারের সঙ্গে প্রথম আলাপ হোক রাজবাড়িতে। মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের তৈরি বিশাল লাল-সাদা প্রাসাদ। ইউরোপীয় স্থাপত্যের আদলে তৈরি এই রাজবাড়ির দরবার হল, উঁচু ছাদ, প্রশস্ত বারান্দা দেখতে দেখতে মনে নানা প্রশ্ন জাগবে।
০৩ / ১২

কোচবিহারের সঙ্গে প্রথম আলাপ হোক রাজবাড়িতে। মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের তৈরি বিশাল লাল-সাদা প্রাসাদ। ইউরোপীয় স্থাপত্যের আদলে তৈরি এই রাজবাড়ির দরবার হল, উঁচু ছাদ, প্রশস্ত বারান্দা দেখতে দেখতে মনে নানা প্রশ্ন জাগবে।

কেমন ছিল এখানকার রাজপরিবারের জীবন? কী ভাবে কাটত তাঁদের দিন? রাজবাড়ি থেকে বেরিয়ে পুরনো শহরটার রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দেখবেন, সেই রাজকীয় অতীতের ছাপ এখনও কোচবিহারের এখানে-ওখানে ছড়িয়ে আছে।
০৪ / ১২

কেমন ছিল এখানকার রাজপরিবারের জীবন? কী ভাবে কাটত তাঁদের দিন? রাজবাড়ি থেকে বেরিয়ে পুরনো শহরটার রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দেখবেন, সেই রাজকীয় অতীতের ছাপ এখনও কোচবিহারের এখানে-ওখানে ছড়িয়ে আছে।

পরদিন মদনমোহন মন্দির দিয়ে শুরু করুন। রাসমেলার সময়ে এখানে মানুষের ঢল নামে। তবে অন্য সময়ে মন্দির চত্বরের শান্ত পরিবেশটাও উপভোগ করার মতো।
০৫ / ১২

পরদিন মদনমোহন মন্দির দিয়ে শুরু করুন। রাসমেলার সময়ে এখানে মানুষের ঢল নামে। তবে অন্য সময়ে মন্দির চত্বরের শান্ত পরিবেশটাও উপভোগ করার মতো।

সেখান থেকে চলুন সাগরদিঘি। জলের ধারে পুরনো গাছ, বেঞ্চে বসে গল্পরত মানুষ, বিকেলের আলো— কিছু ক্ষণ বসে থাকতেই ভাল লাগবে।
০৬ / ১২

সেখান থেকে চলুন সাগরদিঘি। জলের ধারে পুরনো গাছ, বেঞ্চে বসে গল্পরত মানুষ, বিকেলের আলো— কিছু ক্ষণ বসে থাকতেই ভাল লাগবে।

বাজারের দিকেও এক বার ঢুঁ মারতে পারেন। স্থানীয় মিষ্টি চেখে দেখুন, আর কোথাও রাজবংশী রান্নার ব্যবস্থা পেলে শিদল বা মাছের কোনও আঞ্চলিক পদ খেতে ভুলবেন না।
০৭ / ১২

বাজারের দিকেও এক বার ঢুঁ মারতে পারেন। স্থানীয় মিষ্টি চেখে দেখুন, আর কোথাও রাজবংশী রান্নার ব্যবস্থা পেলে শিদল বা মাছের কোনও আঞ্চলিক পদ খেতে ভুলবেন না।

তৃতীয় দিনটা একটু দূরে ঘোরার। প্রথমে বাণেশ্বর শিবমন্দির। এখানকার পুকুরের বিশাল কচ্ছপেরা বেশ বিখ্যাত।
০৮ / ১২

তৃতীয় দিনটা একটু দূরে ঘোরার। প্রথমে বাণেশ্বর শিবমন্দির। এখানকার পুকুরের বিশাল কচ্ছপেরা বেশ বিখ্যাত।

তার পরে সোজা রসিকবিল। পাখি দেখতে ভালবাসলে হাতে সময় নিয়ে যান। জলাশয় আর আশপাশের সবুজে নানা প্রজাতির পাখির আনাগোনা। তবে পাখিরা যে আপনার বেড়ানোর সূচি মেনে হাজির হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই!
০৯ / ১২

তার পরে সোজা রসিকবিল। পাখি দেখতে ভালবাসলে হাতে সময় নিয়ে যান। জলাশয় আর আশপাশের সবুজে নানা প্রজাতির পাখির আনাগোনা। তবে পাখিরা যে আপনার বেড়ানোর সূচি মেনে হাজির হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই!

চতুর্থ দিন চলুন চিলাপাতা। কোচবিহারের শহুরে পরিবেশ থেকে একেবারে অন্য জগৎ! রাস্তার দু’পাশে ঘন বন। তার কোথাও রোদ, কোথাও অন্ধকার। সাফারিতে কিন্তু অবশ্যই যাবেন। হাতি বা গণ্ডারের দেখা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। কিন্তু জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে জিপের সফরটা মনে থেকে যাবে।
১০ / ১২

চতুর্থ দিন চলুন চিলাপাতা। কোচবিহারের শহুরে পরিবেশ থেকে একেবারে অন্য জগৎ! রাস্তার দু’পাশে ঘন বন। তার কোথাও রোদ, কোথাও অন্ধকার। সাফারিতে কিন্তু অবশ্যই যাবেন। হাতি বা গণ্ডারের দেখা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। কিন্তু জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে জিপের সফরটা মনে থেকে যাবে।

আর পঞ্চম দিন? কোনও পরিকল্পনা রাখবেন না। জঙ্গলঘেরা কোনও লজে থাকুন। সকালে পাখির ডাকে ঘুম ভাঙুক, চা নিয়ে বসুন বারান্দায়। ইচ্ছে হলে একটু হাঁটুন, না হলে বই পড়ুন। দুপুরে ভাল করে খেয়ে একটা লম্বা ঘুম!
১১ / ১২

আর পঞ্চম দিন? কোনও পরিকল্পনা রাখবেন না। জঙ্গলঘেরা কোনও লজে থাকুন। সকালে পাখির ডাকে ঘুম ভাঙুক, চা নিয়ে বসুন বারান্দায়। ইচ্ছে হলে একটু হাঁটুন, না হলে বই পড়ুন। দুপুরে ভাল করে খেয়ে একটা লম্বা ঘুম!

চার রাত-পাঁচ দিনের সফর। ট্রেন, থাকা-খাওয়া, গাড়ি ও সাফারি মিলিয়ে মাথাপিছু খরচ আনুমানিক ১৫ হাজার টাকা। ফরেস্ট লজের মান ও গাড়ি শেয়ারিং-এর উপরে বাজেট নির্ভর করবে।
১২ / ১২

চার রাত-পাঁচ দিনের সফর। ট্রেন, থাকা-খাওয়া, গাড়ি ও সাফারি মিলিয়ে মাথাপিছু খরচ আনুমানিক ১৫ হাজার টাকা। ফরেস্ট লজের মান ও গাড়ি শেয়ারিং-এর উপরে বাজেট নির্ভর করবে।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy