Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

নেপাল যাওয়ার সাহস হচ্ছে না? পুজোয় ঘোরার বিকল্প হতে পারে ভুটানের এই ১৫ ঠিকানা

নেপালে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, কিন্তু সেখানে যাওয়া বাতিল। বিকল্প গন্তব্য খুঁজছেন? তা হলে পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন ভুটান। পাহাড়, নদী, বৌদ্ধ মঠ, সবুজ উপত্যকা আর ঐতিহ্যবাহী জনপদ—প্রকৃতির কোলে কয়েকটা দিন কাটানোর জন্য আদর্শ এই প্রতিবেশী দেশ। পারো থেকে পুনাখা, টাইগার্স নেস্ট থেকে হা উপত্যকা, রইল ভুটানের ১৫টি দর্শনীয় জায়গার হদিস।

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬ ১১:১৫
টাইগার্স নেস্ট মনাস্ট্রি: ভুটানের অন্যতম বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান টাইগার্স নেস্ট মনাস্ট্রি। পারো তাকৎসাং নামেও পরিচিত এই বৌদ্ধ মঠটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,১২০ মিটার উচ্চতায় পাহাড়ের খাড়া ঢালে অবস্থিত। মঠে পৌঁছোতে পাহাড়ি পথে ট্রেক করতে হয়। যাত্রাপথে দেখা মেলে গভীর উপত্যকা, ঘন জঙ্গল আর মেঘে ঢাকা পাহাড়ের। যাঁরা ট্রেকিং ভালবাসেন, তাঁদের জন্য জায়গাটি বিশেষ আকর্ষণীয়।
০১ / ১৫

টাইগার্স নেস্ট মনাস্ট্রি: ভুটানের অন্যতম বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান টাইগার্স নেস্ট মনাস্ট্রি। পারো তাকৎসাং নামেও পরিচিত এই বৌদ্ধ মঠটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,১২০ মিটার উচ্চতায় পাহাড়ের খাড়া ঢালে অবস্থিত। মঠে পৌঁছোতে পাহাড়ি পথে ট্রেক করতে হয়। যাত্রাপথে দেখা মেলে গভীর উপত্যকা, ঘন জঙ্গল আর মেঘে ঢাকা পাহাড়ের। যাঁরা ট্রেকিং ভালবাসেন, তাঁদের জন্য জায়গাটি বিশেষ আকর্ষণীয়।

পারো:  ভুটান সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য পারো। ঐতিহ্যবাহী বাড়ি, ছোট দোকান, পাহাড়ি নদী আর মনোরম পরিবেশে ঘেরা এই শহরে রয়েছে পারো রিনপুং জং ও জাতীয় জাদুঘর। ভুটানের স্থাপত্য, সংস্কৃতি ও স্থানীয় খাবারের সঙ্গে পরিচিত হতে চাইলে পারো ঘুরে দেখতে পারেন। টাইগার্স নেস্ট মনাস্ট্রিতে যাওয়ার জন্যও এই শহরকে কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিতে পারেন।
০২ / ১৫

পারো: ভুটান সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য পারো। ঐতিহ্যবাহী বাড়ি, ছোট দোকান, পাহাড়ি নদী আর মনোরম পরিবেশে ঘেরা এই শহরে রয়েছে পারো রিনপুং জং ও জাতীয় জাদুঘর। ভুটানের স্থাপত্য, সংস্কৃতি ও স্থানীয় খাবারের সঙ্গে পরিচিত হতে চাইলে পারো ঘুরে দেখতে পারেন। টাইগার্স নেস্ট মনাস্ট্রিতে যাওয়ার জন্যও এই শহরকে কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিতে পারেন।

থিম্পু :  ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে আধুনিক জীবনযাত্রার সঙ্গে মিশে রয়েছে প্রাচীন ঐতিহ্য। শহরের অন্যতম আকর্ষণ বুদ্ধ ডোরডেনমা মূর্তি, তাশিছো জং এবং মেমোরিয়াল চোরতেন। এ ছাড়াও রয়েছে স্থানীয় বাজার, রেস্তরাঁ ও হস্তশিল্পের দোকান। ভুটানের সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনকে কাছ থেকে দেখতে চাইলে থিম্পু ঘুরে দেখতে পারেন।
০৩ / ১৫

থিম্পু : ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে আধুনিক জীবনযাত্রার সঙ্গে মিশে রয়েছে প্রাচীন ঐতিহ্য। শহরের অন্যতম আকর্ষণ বুদ্ধ ডোরডেনমা মূর্তি, তাশিছো জং এবং মেমোরিয়াল চোরতেন। এ ছাড়াও রয়েছে স্থানীয় বাজার, রেস্তরাঁ ও হস্তশিল্পের দোকান। ভুটানের সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনকে কাছ থেকে দেখতে চাইলে থিম্পু ঘুরে দেখতে পারেন।

পুনাখা জং:  ফো চু ও মো চু নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে অবস্থিত পুনাখা জং ভুটানের অন্যতম সুন্দর ঐতিহাসিক দুর্গ। সাদা দেওয়াল, কাঠের কারুকাজ এবং চারপাশের সবুজ পরিবেশ এই স্থানের বিশেষ আকর্ষণ। দুর্গটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভুটানের ইতিহাসও। কাছেই রয়েছে বিখ্যাত পুনাখা সাসপেনশন ব্রিজ। নদী ও পাহাড়ের দৃশ্য উপভোগ করতে চাইলে এই জায়গাগুলি ঘুরে দেখতে পারেন।
০৪ / ১৫

পুনাখা জং: ফো চু ও মো চু নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে অবস্থিত পুনাখা জং ভুটানের অন্যতম সুন্দর ঐতিহাসিক দুর্গ। সাদা দেওয়াল, কাঠের কারুকাজ এবং চারপাশের সবুজ পরিবেশ এই স্থানের বিশেষ আকর্ষণ। দুর্গটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভুটানের ইতিহাসও। কাছেই রয়েছে বিখ্যাত পুনাখা সাসপেনশন ব্রিজ। নদী ও পাহাড়ের দৃশ্য উপভোগ করতে চাইলে এই জায়গাগুলি ঘুরে দেখতে পারেন।

 দোচুলা পাস:  সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,১০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত দোচুলা পাস ভুটানের অন্যতম জনপ্রিয় পাহাড়ি গিরিপথ। এখানে রয়েছে ১০৮টি চোরতেন বা স্মৃতিস্তম্ভ। পরিষ্কার আবহাওয়ায় এখান থেকে হিমালয়ের তুষারাবৃত শৃঙ্গ দেখা যায়। রঙিন প্রার্থনার পতাকা ও পাহাড়ি পরিবেশ জায়গাটিকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ছবি তুলতে ভালবাসেন যাঁরা, তাঁদের জন্যও এটি আদর্শ ঠিকানা।
০৫ / ১৫

দোচুলা পাস: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,১০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত দোচুলা পাস ভুটানের অন্যতম জনপ্রিয় পাহাড়ি গিরিপথ। এখানে রয়েছে ১০৮টি চোরতেন বা স্মৃতিস্তম্ভ। পরিষ্কার আবহাওয়ায় এখান থেকে হিমালয়ের তুষারাবৃত শৃঙ্গ দেখা যায়। রঙিন প্রার্থনার পতাকা ও পাহাড়ি পরিবেশ জায়গাটিকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ছবি তুলতে ভালবাসেন যাঁরা, তাঁদের জন্যও এটি আদর্শ ঠিকানা।

ফোবজিখা উপত্যকা:  নির্জন প্রকৃতি ও বিস্তীর্ণ তৃণভূমির জন্য পরিচিত ফোবজিখা উপত্যকা। চারপাশে পাহাড়, সবুজ মাঠ আর শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ। এখানে রয়েছে গ্যাংতে মঠও। শীতকালে এই উপত্যকায় আসে বিরল ব্ল্যাক-নেকড ক্রেন পাখি। প্রকৃতির মাঝে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন এই উপত্যকা থেকে।
০৬ / ১৫

ফোবজিখা উপত্যকা: নির্জন প্রকৃতি ও বিস্তীর্ণ তৃণভূমির জন্য পরিচিত ফোবজিখা উপত্যকা। চারপাশে পাহাড়, সবুজ মাঠ আর শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ। এখানে রয়েছে গ্যাংতে মঠও। শীতকালে এই উপত্যকায় আসে বিরল ব্ল্যাক-নেকড ক্রেন পাখি। প্রকৃতির মাঝে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন এই উপত্যকা থেকে।

বুমথাং: ভুটানের অন্যতম সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র বুমথাং। এখানে রয়েছে প্রাচীন বৌদ্ধ মঠ, সবুজ উপত্যকা, আপেল বাগান এবং ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। জাকার শহরকে কেন্দ্র করে আশপাশের বিভিন্ন মঠ ও ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখা যায়। স্থানীয় জীবনযাত্রা ও ভুটানের ধর্মীয় ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে বুমথাং ভাল গন্তব্য। তবে এখানে পৌঁছতে দীর্ঘ সড়কযাত্রার প্রয়োজন হতে পারে।
০৭ / ১৫

বুমথাং: ভুটানের অন্যতম সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র বুমথাং। এখানে রয়েছে প্রাচীন বৌদ্ধ মঠ, সবুজ উপত্যকা, আপেল বাগান এবং ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। জাকার শহরকে কেন্দ্র করে আশপাশের বিভিন্ন মঠ ও ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখা যায়। স্থানীয় জীবনযাত্রা ও ভুটানের ধর্মীয় ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে বুমথাং ভাল গন্তব্য। তবে এখানে পৌঁছতে দীর্ঘ সড়কযাত্রার প্রয়োজন হতে পারে।

 হা উপত্যকা:  ভুটানের তুলনায় কম পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম হা উপত্যকা। পারো থেকে পাহাড়ি পথ ধরে এখানে পৌঁছোনো যায়। সবুজ মাঠ, ঐতিহ্যবাহী বাড়িঘর আর পাহাড়ি গ্রামের পরিবেশ এই অঞ্চলের মূল আকর্ষণ। পর্যটকের ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির মধ্যে সময় কাটাতে চাইলে হা উপত্যকা ঘুরে দেখতে পারেন।
০৮ / ১৫

হা উপত্যকা: ভুটানের তুলনায় কম পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম হা উপত্যকা। পারো থেকে পাহাড়ি পথ ধরে এখানে পৌঁছোনো যায়। সবুজ মাঠ, ঐতিহ্যবাহী বাড়িঘর আর পাহাড়ি গ্রামের পরিবেশ এই অঞ্চলের মূল আকর্ষণ। পর্যটকের ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির মধ্যে সময় কাটাতে চাইলে হা উপত্যকা ঘুরে দেখতে পারেন।

চেলে লা পাস পারো ও হা উপত্যকার মাঝামাঝি অবস্থিত চেলে লা পাস সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,৯৮৮ মিটার উঁচুতে। ভুটানের অন্যতম উঁচু গাড়ি চলাচলের পথ এটি। রঙিন প্রার্থনার পতাকা, ঠান্ডা হাওয়া এবং দূরের তুষারাবৃত পাহাড় এখানকার প্রধান আকর্ষণ। আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে চারপাশের বিস্তীর্ণ পর্বতশ্রেণি দেখা যায়। যাওয়ার আগে আবহাওয়া ও রাস্তার পরিস্থিতি জেনে নেওয়া ভাল।
০৯ / ১৫

চেলে লা পাস পারো ও হা উপত্যকার মাঝামাঝি অবস্থিত চেলে লা পাস সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,৯৮৮ মিটার উঁচুতে। ভুটানের অন্যতম উঁচু গাড়ি চলাচলের পথ এটি। রঙিন প্রার্থনার পতাকা, ঠান্ডা হাওয়া এবং দূরের তুষারাবৃত পাহাড় এখানকার প্রধান আকর্ষণ। আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে চারপাশের বিস্তীর্ণ পর্বতশ্রেণি দেখা যায়। যাওয়ার আগে আবহাওয়া ও রাস্তার পরিস্থিতি জেনে নেওয়া ভাল।

ফুয়েন্তশোলিং:  ভারত-ভুটান সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ শহর ফুয়েন্তশোলিং। পশ্চিমবঙ্গের জয়গাঁও হয়ে সড়কপথে ভুটানে প্রবেশের অন্যতম পথ এটি। শহরের জাংতো পেলরি লাখাং, স্থানীয় বাজার এবং আশপাশের পাহাড়ি পরিবেশ ঘুরে দেখতে পারেন। ভুটান সফরের শুরুতে বা ফেরার পথে এখানে কিছুটা সময় কাটানো যায়। তবে সীমান্ত পারাপারের প্রয়োজনীয় নথি ও নিয়ম আগে থেকে জেনে নিন।
১০ / ১৫

ফুয়েন্তশোলিং: ভারত-ভুটান সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ শহর ফুয়েন্তশোলিং। পশ্চিমবঙ্গের জয়গাঁও হয়ে সড়কপথে ভুটানে প্রবেশের অন্যতম পথ এটি। শহরের জাংতো পেলরি লাখাং, স্থানীয় বাজার এবং আশপাশের পাহাড়ি পরিবেশ ঘুরে দেখতে পারেন। ভুটান সফরের শুরুতে বা ফেরার পথে এখানে কিছুটা সময় কাটানো যায়। তবে সীমান্ত পারাপারের প্রয়োজনীয় নথি ও নিয়ম আগে থেকে জেনে নিন।

 ট্রংসা জং:  ভুটানের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান ট্রংসা জং। গভীর উপত্যকার উপর পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত এই বিশাল দুর্গের স্থাপত্য বেশ আকর্ষণীয়। এক সময় ভুটানের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এই দুর্গ। এখান থেকে চারপাশের পাহাড়ি দৃশ্যও উপভোগ করা যায়। ইতিহাস ও ঐতিহ্যে আগ্রহ থাকলে জায়গাটি ঘুরে দেখতে পারেন।
১১ / ১৫

ট্রংসা জং: ভুটানের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান ট্রংসা জং। গভীর উপত্যকার উপর পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত এই বিশাল দুর্গের স্থাপত্য বেশ আকর্ষণীয়। এক সময় ভুটানের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এই দুর্গ। এখান থেকে চারপাশের পাহাড়ি দৃশ্যও উপভোগ করা যায়। ইতিহাস ও ঐতিহ্যে আগ্রহ থাকলে জায়গাটি ঘুরে দেখতে পারেন।

তাশিগাং:  ভুটানের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত তাশিগাং তুলনামূলক কম পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র। পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা বসতি, স্থানীয় বাজার, তাশিগাং জং এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা এখানকার আকর্ষণ। ভুটানের অন্য পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রগুলির তুলনায় এই অঞ্চলের পরিবেশ অনেকটাই আলাদা। তবে পশ্চিম ভুটান থেকে এখানে পৌঁছতে দীর্ঘ সময় লাগে। তাই সফরের পরিকল্পনা করেই যাওয়া ভাল।
১২ / ১৫

তাশিগাং: ভুটানের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত তাশিগাং তুলনামূলক কম পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র। পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা বসতি, স্থানীয় বাজার, তাশিগাং জং এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা এখানকার আকর্ষণ। ভুটানের অন্য পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রগুলির তুলনায় এই অঞ্চলের পরিবেশ অনেকটাই আলাদা। তবে পশ্চিম ভুটান থেকে এখানে পৌঁছতে দীর্ঘ সময় লাগে। তাই সফরের পরিকল্পনা করেই যাওয়া ভাল।

জিগমে দর্জি জাতীয় উদ্যান:  ভুটানের বৃহৎ সংরক্ষিত বনাঞ্চলগুলির মধ্যে অন্যতম জিগমে দর্জি জাতীয় উদ্যান। এখানে রয়েছে হিমালয়ের বনভূমি, নদী, পাহাড় এবং নানা ধরনের বন্যপ্রাণী। প্রকৃতিপ্রেমী ও ট্রেকিংয়ে আগ্রহীদের কাছে এই অঞ্চল আকর্ষণীয়। তবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় যেতে গাইড, অনুমতি এবং আগাম পরিকল্পনার প্রয়োজন হতে পারে।
১৩ / ১৫

জিগমে দর্জি জাতীয় উদ্যান: ভুটানের বৃহৎ সংরক্ষিত বনাঞ্চলগুলির মধ্যে অন্যতম জিগমে দর্জি জাতীয় উদ্যান। এখানে রয়েছে হিমালয়ের বনভূমি, নদী, পাহাড় এবং নানা ধরনের বন্যপ্রাণী। প্রকৃতিপ্রেমী ও ট্রেকিংয়ে আগ্রহীদের কাছে এই অঞ্চল আকর্ষণীয়। তবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় যেতে গাইড, অনুমতি এবং আগাম পরিকল্পনার প্রয়োজন হতে পারে।

 রয়্যাল মানাস জাতীয় উদ্যান:  ঘন জঙ্গল, নদী ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত রয়্যাল মানাস জাতীয় উদ্যান। প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানো এবং বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণের জন্য এটি বিশেষ আকর্ষণীয়। তবে সাধারণ পর্যটনকেন্দ্রের তুলনায় এখানে বেড়ানোর পরিকল্পনা একটু বেশি করে করতে হয়। যাতায়াত, থাকার ব্যবস্থা এবং প্রবেশের অনুমতি সম্পর্কে আগেই খোঁজ নেওয়া জরুরি।
১৪ / ১৫

রয়্যাল মানাস জাতীয় উদ্যান: ঘন জঙ্গল, নদী ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত রয়্যাল মানাস জাতীয় উদ্যান। প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানো এবং বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণের জন্য এটি বিশেষ আকর্ষণীয়। তবে সাধারণ পর্যটনকেন্দ্রের তুলনায় এখানে বেড়ানোর পরিকল্পনা একটু বেশি করে করতে হয়। যাতায়াত, থাকার ব্যবস্থা এবং প্রবেশের অনুমতি সম্পর্কে আগেই খোঁজ নেওয়া জরুরি।

জোমোলহারি:  ট্রেকিংয়ের জন্য বিখ্যাত ভুটানের জোমোলহারি পর্বতশৃঙ্গ। এর আশপাশের পথে দেখা মেলে তুষারাবৃত পাহাড়, আলপাইন তৃণভূমি, নদী এবং দূরের পাহাড়ি গ্রাম। তবে এই যাত্রা সাধারণ দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার মতো সহজ নয়। দীর্ঘ পথ হাঁটা ও উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি প্রয়োজন। তাই ট্রেকিংয়ের পরিকল্পনা থাকলে উপযুক্ত গাইড, আবহাওয়া ও প্রয়োজনীয় অনুমতির বিষয়ে আগেই খোঁজ নিন। এই প্রতিবেদনটি "আনন্দ উৎসব" ফিচারের একটি অংশ।
১৫ / ১৫

জোমোলহারি: ট্রেকিংয়ের জন্য বিখ্যাত ভুটানের জোমোলহারি পর্বতশৃঙ্গ। এর আশপাশের পথে দেখা মেলে তুষারাবৃত পাহাড়, আলপাইন তৃণভূমি, নদী এবং দূরের পাহাড়ি গ্রাম। তবে এই যাত্রা সাধারণ দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার মতো সহজ নয়। দীর্ঘ পথ হাঁটা ও উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি প্রয়োজন। তাই ট্রেকিংয়ের পরিকল্পনা থাকলে উপযুক্ত গাইড, আবহাওয়া ও প্রয়োজনীয় অনুমতির বিষয়ে আগেই খোঁজ নিন। এই প্রতিবেদনটি "আনন্দ উৎসব" ফিচারের একটি অংশ।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy