প্রস্তাব ছিল ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্কলের কলকাতা অঞ্চলে ১৫টি ডাকঘর বন্ধ করা হবে। কিন্তু বাস্তবে বন্ধ হচ্ছে ১৯টি। ফলে আশঙ্কা, আরও বেশি গ্রাহক অসুবিধায় পড়বেন। সূত্রের খবর, গত ১৮ জুলাই সার্কলের চিফ পোস্টমাস্টার জেনারেলের দফতর থেকে কলকাতা অঞ্চলের পোস্টমাস্টার জেনারেলকে পাঠানো চিঠিতে ওই ১৯টিকে কাছের বড় ডাকঘরের সঙ্গে মেশাতে বলা হয়েছে। দ্রুত প্রক্রিয়াটি সারার নির্দেশ দিলেও, দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করা হয়নি। এর আগে হাওড়া অঞ্চলে ৯টি ডাকঘর বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
কলকাতায় যে সব ডাকঘর বন্ধ হবে সেগুলি হল— রানি পার্ক, ব্যারাকপুর বাজার, নয়াপল্লি, বেলঘরিয়া পূর্ব, ব্রহ্মস্থান, বিবেকানন্দ মঠ, পার্ক সার্কাস, ঝাউতলা, তিলজলা বাজার, ওয়াটগঞ্জ, জোড়ামন্দির, বোসপুকুর রোড, কেসি মিলস, সোনাই, তারাতলা রোড, রাজাবাগান, কাস্টম হাউজ়, পোলক স্ট্রিট, পোস্টাল স্টোর্স ডিপো। এগুলি যে ডাকঘরে সংযুক্ত হচ্ছে, পরিষেবা পেতে সেখানেই যেতে হবে গ্রাহকদের।
ডাক বিভাগের দাবি, ডাক ব্যবস্থার উন্নতির জন্য প্রতিটি অঞ্চলে কম ব্যবসা করে এবং তুলনায় কম গ্রাহক, এমন ডাকঘর কাছের বড় ডাকঘরের সঙ্গে জুড়ছে। গ্রাহকদের পরিষেবায় প্রভাব পড়বে না। তবে সংশ্লিষ্ট মহলের অনুযোগ, এতে বহু গ্রাহককে বাড়ি থেকে দূরের ডাকঘরে যেতে হবে। প্রবীণ মানুষ সমস্যায় পড়বেন। কর্মীদের কাজের বোঝা বাড়বে বিপুল। এখনই ডাকঘরে প্রায় প্রতিটি পরিষেবার জন্য বিপুল লাইন পড়ে। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়। ফলে বাড়তি চাপ নেওয়ার পরিকাঠামো না থাকলে হয়রানি বাড়বে গ্রাহকদেরই। তবে এই সংযুক্তির ফলে কেউ চাকরি হারাবেন না, বার্তা ডাক বিভাগের।