E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

সমস্যা দূর হয়নি, বাগান পরিচালনায় চা শ্রমিকদের শামিল করার পরামর্শ

ভারতে আমদানি করা চা বিরাট সমস্যা তৈরি করছে বলে ফের অভিযোগ তুলেছেন বাগান মালিকেরা। তাঁদের দাবি, খারাপ মানের কম দামি চা জোয়ারের মতো ঢুকে পড়ছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:১৬

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

চা শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতেবাগান পরিচালনায় তাঁদের অংশ নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করলেন রাজ্যের শ্রম কমিশনার অবনীন্দ্র সিংহ। শনিবার এই শিল্পের সংগঠন টি অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার (টাই) দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় সিংহের দাবি, ‘‘ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি, বাগান চালাতে শ্রমিকদের অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা জরুরি। তাঁদের কল্যাণে রাজ্য বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে। এই খাতে বহু অর্থ খরচ করা হলেও সমস্যা দূর হয়নি।’’ তাঁর মতে, শ্রমিকেরা বাগানের অংশীদার হওয়ার সুযোগ পেলে উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহী হবেন। যার হাত ধরে মালিকদের পাশাপাশি উপকৃত হবেন কর্মীরাও। এই পথে বন্ধ বাগানগুলি খোলার ব্যবস্থাও হতে পারে।

এ দিকে, ভারতে আমদানি করা চা বিরাট সমস্যা তৈরি করছে বলে ফের অভিযোগ তুলেছেন বাগান মালিকেরা। তাঁদের দাবি, খারাপ মানের কম দামি চা জোয়ারের মতো ঢুকে পড়ছে। বিশেষত সমস্যা তৈরি করছে নেপাল থেকে বিনা শুল্কের আমদানি। তাতে মূলত রাজ্যে দার্জিলিং চায়ের ব্যবসা আশঙ্কাজনক ভাবে ধাক্কা খাচ্ছে। চা শিল্প মহলের আক্ষেপ, ভারত এবং নেপালের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী, সেখান থেকে বিনা শুল্কে চা আসে দেশে। কিন্তু এখান থেকে রফতানি করা চায়ে শুল্ক বসে ৪০%। তার উপর দার্জিলিংয়ের সঙ্গে নেপালের আবহাওয়ার মিল থাকায় চায়ের মানও এক রকম। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, ওরা পাঠাচ্ছে নিম্ন মানের চা। এর প্রধান কারণ, ভারতে ঢোকার আগে সেগুলির মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা নেই। যা চা শিল্পের স্বার্থ বিরোধী।

চা পর্ষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান সি মুরুগান অবশ্য এ দিন মালিকদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, নিম্ন মানের চা যাতে আমদানি না হয় তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা হবে। নেপালের পাশাপাশি ভারতে চা আসে কেনিয়া ও ভিয়েতনাম থেকে। তিনি বলেন, ‘‘ভারতে ঢোকার আগে ওই সব চা যাচাইয়ের ব্যবস্থা হচ্ছে। কী ভাবে তা করা হবে, সেই পরিকল্পনা তৈরি করছে চা পর্ষদ। পরিকল্পনা তৈরি করতে ১৫-২০ দিন লাগবে। আইনি পরামর্শ নেওয়ার পরে সেটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকে।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
tea gardens tea industry

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy