বিয়ে নিয়ে আপাতত কোনও পরিকল্পনাই নেই অমীষা পটেলের। এ কথা তিনি আগেও বলেছেন। একাই বেশ সুখে আছেন বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তরপর্বে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলাখুলি কথা বললেন তিনি।
এক অনুরাগী প্রশ্ন করেন, ‘‘কবে বিয়ে করছেন?’’ উত্তরে একেবারে সোজাসাপটা অমীষা লেখেন, ‘‘কখনও না। একা থাকতে দারুণ লাগছে। আমার জীবনে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিলিয়ে প্রায় একশো মানুষ আছেন, যাঁদের ভালবাসা পাই। সেখানে এক জন পুরুষ এসে সব সমীকরণ বদলে দিক, সেটা চাই না।’’
আরও পড়ুন:
যদিও এখন বিয়ে নিয়ে এমন অবস্থান, অতীতে কিন্তু প্রেমের জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল তাঁকে। আবার কেরিয়ারের স্বার্থে ছাড়তেও হয়েছে সম্পর্ক। এক সাক্ষাৎকারে অমীষা জানিয়েছিলেন, অভিনয়ে আসার আগে এক শিল্পপতি পরিবারের যুবকের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক ছিল। সামাজিক অবস্থান, পারিবারিক পরিবেশ, শিক্ষাগত যোগ্যতা— সব দিক থেকেই সেই সম্পর্ক ছিল আদর্শ। কিন্তু সিনেমায় অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তাঁর সঙ্গী চাননি, তিনি জনসমক্ষে পরিচিত মুখ হয়ে উঠুন। শেষপর্যন্ত প্রেমের চেয়ে অভিনয়কেই বেছে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
অমীষার কথায়, যিনি সত্যিই ভালবাসবেন, তিনি কখনও সঙ্গীর পেশাগত সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না। জীবনে প্রেমের জন্য যেমন অনেক কিছু হারিয়েছেন, তেমনই কেরিয়ারের জন্যও অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।
আরও পড়ুন:
তবে বিয়ের দরজা পুরোপুরি বন্ধ করে দেননি ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবির অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, যোগ্য মানুষ পেলে এখনও বিয়ে করতে আপত্তি নেই। এখনও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত পরিবারের কাছ থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এমনকি নিজের চেয়ে অনেক কমবয়সিরাও ডেটে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বয়স নয়, মানসিক পরিণতিই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অমীষার কটাক্ষ, বয়সে বড় হলেও অনেকের বুদ্ধির পরিণতি অত্যন্ত হতাশাজনক।
প্রসঙ্গত, অতীতে নায়িকার নাম একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে জড়ালেও, চলচ্চিত্র পরিচালক বিক্রম ভট্টের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছিল।