সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, আমাদের ব্যবহৃত প্রতিটি সংখ্যার একটি নির্দিষ্ট শক্তি বা কম্পন থাকে। কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম মোবাইল নম্বর। তাই সংখ্যাতত্ত্ববিদদের মতে, এই নম্বরের গভীর প্রভাব আমাদের পেশাগত জীবনে পড়তে পারে। মোবাইল নম্বর যদি আপনার জন্মতারিখ বা রাশির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ না হয়, তবে তা চাকরি বা ব্যবসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাধা তৈরি করতে পারে। কী ভাবে মোবাইলের নম্বর পেশাগত জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে এবং কোন বিষয়গুলি আমাদের খেয়াল রাখা প্রয়োজন, তা নিয়ে বিস্তারে আলোচনা করা হল—
- ৮ সংখ্যাটি শনিদেবের প্রতীক। এটি কর্মজীবনে স্থায়িত্ব দিলেও, মোবাইল নম্বরে অতিরিক্ত ৮ থাকলে কাজের গতি অত্যন্ত ধীর হয়ে যায় এবং পদে পদে বাধা আসে।
- আপনার মোবাইল নম্বরের মোট যোগফল যদি ৮ হয়, তবে সূর্য ও শনির শত্রুতার কারণে চাকরিতে পদোন্নতি আটকে যাওয়া, ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়া বা কঠোর পরিশ্রমের পরেও স্বীকৃতি না পাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
আরও পড়ুন:
- ৪ হল রাহুর সংখ্যা। মোবাইল নম্বরে বার বার ৪ সংখ্যার ব্যবহার থাকলে হঠাত্ চাকরি চলে যাওয়া, কর্মক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া বা মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- নম্বরের মাঝে ২৪, ৪২, ৪৮ বা ৮৪-এর মতো নম্বর, অর্থাৎ ২ এবং ৪ অথবা ৪ এবং ৮-এর পাশাপাশি অবস্থান থাকলে তা কর্মক্ষেত্রে আকস্মিক বিপর্যয় বা আইনি জটিলতা ডেকে আনতে পারে।
- মোবাইল নম্বরের শেষ দু’টি বা তিনটি সংখ্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নম্বরের শক্তির সমাপ্তি নির্দেশ করে। নম্বরের শেষে যদি শূন্য থাকে, তবে তা অনেক সময় পরিশ্রমের ফল শূন্য করে দেয়। বিশেষ করে পরপর দুটি শূন্য থাকলে পেশাজীবনে স্থবিরতা আসতে পারে।
আরও পড়ুন:
- মোবাইল নম্বরের শেষে অবরোহী বা কমতে থাকা সংখ্যা যেমন ৯, ৮, ৭... থাকলে পেশাগত জীবনের লেখচিত্র নিম্নগামী হতে পারে। সব সময় আরোহী বা বাড়তে থাকা সংখ্যা যেমন: ৫, ৬, ৭... মোবাইল নম্বরে দেখা গেলে তা শুভ বলে মনে করা হয়।
- জন্মছকে শনি অত্যন্ত শুভ অবস্থানে না থাকলে মোবাইল নম্বরের শুরুতে বা শেষে খুব বেশি শূন্য বা আট রাখা এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
- আপনার মোবাইল নম্বরের প্রতিটি সংখ্যা যোগ করুন। যোগফলটি যদি দুই অঙ্কের হয়, তবে তা আবার যোগ করে এক অঙ্কে নিয়ে আসুন। চাকরি ও ব্যবসার জন্য সাধারণত ১, ৫, এবং ৬ যোগফল বিশিষ্ট নম্বর অত্যন্ত শুভ মানা হয়।
মোবাইল নম্বরটি আপনার জন্মছকের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে চাকরিক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। ইন্টারভিউয়ের ডাক এসেও হাতছাড়া হওয়া বা ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হওয়া, বার বার চাকরি পরিবর্তন করতে বাধ্য হওয়া বা চাকরিতে একঘেয়েমি চলে আসা, সঠিক সময়ে বেতন না পাওয়া বা বেতনবৃদ্ধির সম্ভাবনা আটকে যায়।